2-finger test: 'টু-ফিঙ্গার টেস্ট' করা ডাক্তারদের নাবালিকাকে দিতে হবে ৫ লাখ: হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্ট - Bengali News | Doctors must pay minor girl Rs 5 lakh for illegal 2 finger test: Himachal Pradesh High court - 24 Ghanta Bangla News
Home

2-finger test: ‘টু-ফিঙ্গার টেস্ট’ করা ডাক্তারদের নাবালিকাকে দিতে হবে ৫ লাখ: হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্ট – Bengali News | Doctors must pay minor girl Rs 5 lakh for illegal 2 finger test: Himachal Pradesh High court

Spread the love

সিমলা: ২০২২ সালের ৩১ অক্টোবর, এক ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ বা ‘দুই আঙুলের পরীক্ষা’ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল শীর্ষ আদালত। তখনও প্রধান বিচারপতি হননি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। তিনি এবং বিচারপতি হিমা কোহলির বেঞ্চ জানিয়েছিল, এরপর কোনও ধর্ষণ মামলায় ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ করা হলে, যারা সেই পরীক্ষা করবেন, ‘অভব্য আচারণের জন্য’ তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হবে। কিন্তু, তারপরও এই ন্যক্কারজনক অনুশীলন বন্ধ হয়নি। আরও একবার তার প্রমাণ মিলল হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্টে। সম্প্রতি, এক নাবালিকা ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার টু ফিঙ্গার টেস্ট করার জন্য, পালামপুর সিভিল হাসপাতালের ডাক্তারদের তিরস্কার করল আদালত।

এই মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট, টু ফিঙ্গার টেস্টের জন্য ধর্ষিতা নাবালিকাকে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকারকে। আর এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সংগ্রহ করতে হবে দোষী ডাক্তারদের কাছ থেকে। এই মামলায় যে মেডিকো-লিগ্যাল কেস রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছিল, তা ‘অপমানজনক’ বলেছেন বিচারপতি তারলোক সিং চৌহান এবং সত্যেন বৈদ্যর ডিভিশন বেঞ্চ। বেঞ্চের মতে, এই রিপোর্টটিই অপরাধমূলক এবং নিন্দাজনক। শুধু তাই নয়, ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধের শিকার হওয়া নাবালিকার গোপনীয়তাকেও লঙ্ঘন করা হয়েছে। এই ধরনের পরীক্ষা নির্যাতিতার অধিকার এবং শারীরিক এবং মানসিক পবিত্রতা লঙ্ঘনকারী হিসাবে ঘোষণা করার পরও, তা করার জন্য ডাক্তারদের তীব্র নিন্দা করেছে আদালত।

যে চিকিৎসকরা ওই দুই আঙুলের পরীক্ষায় যুক্ত ছিল, সরকারকে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, আদালত সমস্ত চিকিৎসকদের দু ফিঙ্গার টেস্টের মতো পরীক্ষা না করা বিষয়ে সতর্ক করেছে। আদালত সাফ জানিয়েছে, যে ডাক্তাররা এই জাতীয় পরীক্ষা করবেন, তাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। আদালত আরও বলেছে, যারা এই মেডিকো-লিগ্যাল কেস রিপোর্ট তৈরি করেছেন, তাদের অসংবেদনশীলতা এড়িয়ে যাওয়া যায় না। হাসপাতাল যে রিপোর্ট দিয়েছে, তা ভারতীয় প্রমাণ আইনের ৫৩-র ক ধারা উপেক্ষা করেছে। আইনের এই ধারাটির নির্দেশিকাও লঙ্ঘন করেছে। যৌন হিংসার শিকারদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক যে প্রোটোকল জারি করেছে, তাও এই রিপোর্টে লঙ্ঘিত হয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *