Maoist: STF-এর জালে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মাওবাদী শীর্ষ নেতা আগরপাড়ার কিশোর – Bengali News | Maoist: ‘Most wanted’ top Maoist leader in STF’s net is Kishore from Agarpara
গ্রেফতার মাওবাদী নেতাImage Credit source: TV9 Bangla
কলকাতা: মাওবাদী দমন অভিযানে বড় সাফল্য পুলিশের। STF এবং পুরুলিয়া জেলা পুলিশের অভিযানে জালে শীর্ষ মাওবাদী নেতা। বাঁকুড়ার শিমলাপাল থেকে গ্রেফতার মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা। কিশোর নামে মাওবাদী শীর্ষ নেতা NIA-এর ‘মোস্ট ওয়ান্টেডের’ তালিকায় ছিলেন। কিশোরের বাড়ি উত্তর শহরতলির আগারপাড়ায়।
মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বীরভূম থেকে উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সংগঠন পুনর্গঠনের দায়িত্বে ছিলেন ওই নেতা।
পুরুলিয়ার সম্প্রতিক কয়েকটি পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনে তাঁর উস্কানি ছিল বলে অভিযোগ। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা কিশোর এরাজ্যে সংগঠন পুনর্গঠিত করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে উত্তর পূর্ব ভারতের সংগঠনের সঙ্গে লিয়াসন ভূমিকা ছিল তাঁর। সব্যসাচী গোস্বামীর নেতৃত্বে গত ৫ বছরে জঙ্গলমহলের বাইরে, মুর্শিদাবাদ নদিয়া, মালদা, বীরভূমে সংগঠনের বিস্তার হয়। সংগঠনের বিস্তার হয় দক্ষিণ এবং উত্তর ২৪ পরগণাতেও। বাঁকুড়ার বারিকুল এলাকায় সম্প্রতি বেশ কিছু আদিবাসী যুবক মাওবাদী সংগঠনে যোগ দেন। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, কিশোরের নেতৃত্বেই নিয়োগ হচ্ছিল জঙ্গলমহলে। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদ থেকে STF গ্রেফতার করে কিশোরের সঙ্গী প্রতীক ভৌমিককে। তারপরেই জঙ্গলমহলে গা ঢাকা দেন কিশোর।
জানা যাচ্ছে, কিশোর তিন দশকেরও বেশি সময় CPI মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।
লালগড় আন্দোলনের সময় সুন্দরবন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় সংগঠনের কাজ করেছেন ‘ওভার গ্রাউন্ড’ কর্মী হিসাবে। সংগঠনের একাধিক প্রকাশনার দায়িত্বে ছিলেন। কিশেন জির মৃত্যুর পর এই রাজ্যে সংগঠন অবিন্যস্ত হয়ে পড়ে।
রাজ্য সম্পাদক আকাশ অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে যান। তারপরেই, সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় ব্যুরো ERB সব্যসাচীকে রাজ্যের সংগঠনের দায়িত্ব দেয়। ২০১৮ সালে গোয়ালতোড়ে তাঁকে একবার পুলিশ গ্রেফতার করে। ওই মামলায় জামিন পেয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড হয়ে যান সব্যসাচী ওরফে বাবু । উত্তর পূর্ব ভারত থেকে লজিস্টিক ঝাড়খণ্ড হয়ে ছত্তিশগড় পর্যন্ত পৌঁছনোর লিয়াসনের ভূমিকা দেওয়া হয়। তিনি জঙ্গলমহলে ছেড়ে, প্রয়াত মাওবাদী নেতা চণ্ডী সরকারের সাহায্যে নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ এলাকায় নতুন করে সংগঠন তৈরি করেন।
মূলত করোনার সময় এবং তার আগে CAA এবং NRC বিরোধী আন্দোলনের মোমেন্টাম কাজে লাগিয়ে দ্রুত সংখ্যালঘু এবং প্রান্তিক পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে সংগঠন বিস্তার করে । সম্প্রতি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা এই নিয়ে সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছে।