আগ্নেয়গিরি ফাটলে গরম নয়, আশপাশে পড়ে তীব্র ঠান্ডা; অবাক করবে আসল কারণ – Bengali News | After a volcano erupts increase cold instead of heat, know the reason
আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ ফেটে গিয়ে বেরিয়ে আসছে লাভা। আর সেই লাভার আগুনে, ধোয়ায় ঢেকে যাচ্ছে চারিদিক। আশেপাশের এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ছে লাভা। কিন্তু এত আগুন আর ধোঁয়ার মাঝে ক্রমশ বেড়ে চলেছে ঠান্ডা। ভাবছেন তো, কীভাবে সম্ভব? লাভার প্রচণ্ড তাপের যেখানে সব পুড়ে ছাই, সেখানে কীভাবে আবহাওয়া ঠান্ডা হচ্ছে? এর পিছনেই রয়েছে বিজ্ঞান। কিন্তু তার আগে জেনে নেওয়া প্রয়োজন, আগ্নেয়গিরি কী? আর তা থেকে কীভাবে অগ্ন্যুৎপাত হয়?
আগ্নেয়গিরি কী?
আগ্নেয়গিরি হল একটি পর্বত, যার ভিতরটা লাভায় ভরা। মাটির নিচ থেকে ওপরের দিকে চাপ বাড়লে ওপর থেকে পাহাড় ফেটে যায়, যা আগ্নেয়গিরির রূপ নেয়। আগ্নেয়গিরি থেকে ভূগর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা নির্গমন প্রক্রিয়াকে বলা হয় অগ্ন্যুৎপাত। আর আগ্নেয়গিরির যে মুখ বা নির্গমনপথ দিয়ে অগ্ন্যুৎপাত হয়, তাকে জ্বালামুখ বলে। পৃথিবীতে প্রতি বছর প্রায় 60টির মতো আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত হয়। কখনও কখনও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পরে এই অঞ্চলে ঠান্ডা বেড়ে যায়।
এই খবরটিও পড়ুন
কিন্তু সেই এলাকা ঠান্ডা হওয়ার কারণ কী?
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর অনেক গ্যাস বেরিয়ে আসে এবং এই গ্যাস ও পাথরের মিশ্রণকে ম্যাগমা বলে। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত হলে এই ম্যাগমা আকাশের দিকে চলে যায়। অর্থাৎ উপরে উঠে যায়। এর পরে তারা মেঘের মতো আকাশে ঢেকে যায় এবং তাই সূর্যের আলো ওই এলাকায় পৌঁছাতে পারে না। ফলে সেই জায়গায় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়। আর সেই কারণেই অনেক সময় ওই এলাকায় ঠান্ডা বেড়ে যায়।
সব সময় এমনটাই হবে তা নয়…
সব ক্ষেত্রে যে এমনটাই হবে, অর্থাৎ ঠান্ডা বেড়ে যাবে তা নয়। যদি ম্যাগমার পরিমাণ কম থাকে, তাহলে সেই জায়গায় বৃষ্টি ও বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। ফলে ঠান্ডা বাড়বে না। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে ওই এলাকায় অনেক দিন ধরেই বৃষ্টি ও বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। যার কারণে সেখানে বসবাসকারী লোকজনকে নানা সমস্যায় পড়তে হয়।