USA: নগ্ন কিশোরীদের করতে হত তেল মালিশ! দ্বীপ পা পড়েছিল ট্রাম্প থেকে ক্লিন্টনের - Bengali News | Here is the full story of Epstein's paedophile island where powerful people abused young girls - 24 Ghanta Bangla News
Home

USA: নগ্ন কিশোরীদের করতে হত তেল মালিশ! দ্বীপ পা পড়েছিল ট্রাম্প থেকে ক্লিন্টনের – Bengali News | Here is the full story of Epstein’s paedophile island where powerful people abused young girls

Spread the love

ওয়াশিংটন: ভিলা, সুইমিং পুল, হেলিপ্যাড – অভাব ছিল না কিছুরই। দু-দুটি ব্যক্তিগত দ্বীপ জুড়ে চলত অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের শোষণ। ২০১৫ সালেই প্রথম এই অপরাধের কথা জানা গিয়েছিল। অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের যৌনদাসী হিসেবে ওই দ্বীপদুটিতে পাচার করার অভিযোগ উঠেছিল দ্বীপ দুটির মালিক তথা মার্কিন লগ্নিকারী জেফ্রি এপস্টাইনের বিরুদ্ধে। বিচারের চলাকালীন, ২০১৯ সালে আত্মঘাতী হয়েছিল সে। বুধবার (৩ জানুয়ারি), মার্কিন আদালত এই মামলা সংক্রান্ত সমস্ত নথি প্রকাশ করেছে। আর তাতেই বেরিয়ে এসেছে শতাধিক হাই-প্রোফাইল ব্যক্তির নাম। তাদের মধ্যে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রু, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন, ডোনাল্ড ট্রাম্প, বিজ্ঞানী স্টিফেন বকিংদের মতো অনেক ভিভিআইপির নাম প্রকাশ পেয়েছে। এঁদের কারো কারো বিরুদ্ধে সরাসরি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের যৌন শোষণের অভিযোগ রয়েছে, বাকিদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ না থাকলেও, যৌন অপরাধী হিসেবে দোষী সাব্যস্ত এপস্টাইনের সঙ্গে তাঁদের গা ঘেষাঘেষি ছিল। কী চলত তাঁর ‘পেডোফাইল (শিশুনির্যাতনকারী) দ্বীপে’? আসুন জেনে নেওয়া যাক –

পেডোফাইল আইল্যান্ড

এপস্টাইনের ব্যক্তিগত দ্বীপটির প্রথমটির নাম ছিল ‘লিটল সেন্ট জেমস’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জের কাছেই অবস্থিত এই দ্বীপ। এই ৭২ একরের দ্বীপটি ১৯৯৮ সালে কিনেছিল এপস্টাইন। আর ২০১৮ সালে তার পাশেই আরও বড় এক দ্বীপ কিনেছিল সে। সেটার নাম ছিল ‘গ্রেট সেন্ট জেমস’। দুই দ্বীপেই চলত অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের সঙ্গে বেলেল্লাপনা। আর এই অপরাধ ঢাকতে, মার্কিন ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জের সরকারি কর্তা এবং স্কুলগুলিকে যথেষ্ট অনুদান দিত এপস্টাইন। তবে, সাধারণ মানুষ জানত, সেখানে কী চলছে। টাকা ছড়ালেও তাই, তাদের মধ্যে এপস্টাইনের কোনও সম্মান ছিল না। স্থানীয়দের কাছে লিটল সেন্ট জেমস দ্বীপ পরিচিত ছিল, ‘অর্জি (বহু মানুষ একসঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হওয়া) আইল্যান্ড’ বা ‘পেডোফাইল আইল্যান্ড’ নামে।

কী-ভাবে মেয়ে পাচার হত দ্বীপে?

এপস্টাইন দ্বীপে নিয়মিত বিদেশ থেকে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের পাচার করত এপস্টাইন এবং তার প্রাক্তন প্রেমিকা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল। বর্তমানে এই অপরাধে ম্যাক্সওয়েলকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বিমানে করে মেয়েদের ওই দ্বীপে আনা হত। বিমানটির ডাকনাম ছিল ‘ললিতা এক্সপ্রেস’। সেই ললিতা এক্সপ্রেসের সওয়ার হয়েছিলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ব্রিটিশ রাজ পরিবারের সদস্য, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, প্রশাসক, নোবেল-পুরষ্কার বিজয়ী বিজ্ঞানী, হলিউড অভিনেত্রী-সহ বহু ধনী এবং ক্ষমতাবান ব্যক্তিরা। এছাড়া, মেয়েদের পাচারের জন্য একটি ইয়াটও ব্যবহার করা হত। তার ডাকনাম ছিল, এপস্টাইনের প্রাক্তন প্রেমিকা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েলের নামানুসারে ‘লেডি ঘিসলাইন’।

কী চলত সেখানে?

এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার এবং বিমানবন্দরের অন্যান্য কর্মীরা জানিয়েছেন, এপস্টাইন যে মেয়েদের দ্বীপে নিয়ে যেতেন, দেখেই বোঝা যেত তারা অপ্রাপ্তবয়স্ক, কিশোরী। এপস্টাইন বেঁচে থাকাকালীন ওই দ্বীপে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হত না। নির্যাতিতা কিশোরীদের সেখান থেকে পালানোর উপায় ছিল না। কারণ, ওই দ্বীপ থেকে শুধুমাত্র বিমান বা নৌকোতেই অন্যত্র যাওয়া যায়। ফলে, তারা যে পালিয়ে গিয়ে পুলিশে খবর দেবে, তার উপায় ছিল না। তবে, তারপরও ১৫ বছরের এক কিশোরী সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিল। যার পরিণতি হয়েছিল মারাত্মক। কিশোরীর অভিযোগ, এপস্টাইন তাকে দ্বীপে তার কার্যালয়ে নিয়ে এসে তাকে ধর্ষণ করেছিল। তার বেডরুমে মেয়েটিকে আটকে রেখেছিল। তার বিছানার সঙ্গে লাগানো ছিল একটি বন্দুক। ওই অবস্থায় তার পালানো ছিল অসম্ভব। নগ্ন অবস্থায় তেল মালিশ করানো থেকে শুরু করে, এই মেয়েদের বিভিন্ন যৌন কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হত।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *