Manipur violence: রক্তাক্ত নববর্ষে ফিরল কারফিউ, গ্রামে ঢুকে নির্বিচারে গুলি, মৃত অন্তত ৪ – Bengali News | Manipur violence: 4 people shot dead in Thoubal, curfew reimposed in five valley districts

0

ঘটনার পর বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় ক্ষুব্ধ জনতাImage Credit source: Twitter

ইম্ফল: বছরের শুরুতেই কারফিউ ফিরল মণিপুরে। সোমবার (১ জানুয়ারি), ফের নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল রাজ্য জুড়ে। থৌবাল জেলার লিলং এলাকায় সশস্ত্র দুষ্কৃতীদের গুলিতে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। এরপরই, ইম্ফল উপত্যকায় অবস্থিত রাজ্যের পাঁচ জেলা – থৌবাল, ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম, কাকচিং এবং বিষ্ণুপুরে নতুন করে কারফিউ জারি করা হয়েছে। কারা গুলি চালিয়েছে, এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তবে, তাদের গায়ে ক্যামোফ্লাজ পোশাক ছিল। গ্রামে ঢুকেই স্থানীয় বাসিন্দাদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালায় তারা বলে অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। আহতদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সূত্রের খবর, এদিন রাত ৮টা নাগাদ আচমকা হামলা চালায় ওই অজ্ঞাত পরিচয় সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, হতাহতেরা প্রত্যেকেই পোঙ্গল মুসলিম সম্প্রদায়ের। এই হামলার পর, ওই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা।

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়েছেন মণিপুর পুলিশ ও অসম পুলিশের কর্তারা। কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতির তদন্ত করছে। নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের কারফিউ মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, দুই দিন আগে, মণিপুরের সীমান্ত শহর মোরেতে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা পুলিশের এক কনভয়ে হামলা চালিয়েছিল। ওই রাতেই পুলিশ কমান্ডোদের একটি ঘাঁটিতেও আরপিজি নিয়ে হামলা চালান হয়। ওই ঘটনায় ৪ পুলিশ কমান্ডো আহত হয়েছিলেন। তবে, তারপরও ৩১ জানুয়ারি রাজ্যের অধিকাংশ এলাকাতেই কারফিউ শিথিল করা হয়েছিল। কিন্তু, একদিন যেতে না যেতেই ফের ফিরল কড়াকড়ি।

এদিকে, এদিনের ঘটনার পরই এক ভিডিও বার্তায় এই নতুন করে হিংসার নিন্দা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। লিলংয়ের বাসিন্দাদের এলাকায় শান্তি বজায় রাখার জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি। তিনি আরও জানিয়েছেন, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “নিরাপরাধ মানুষদের হত্যার ঘটনায় আমি আমার অপরিসীম দুঃখিত। আমরা অপরাধীদের ধরতে পুলিশের দলগুলিকে একত্রিত করছি। আমি হাত জোড় করে লিলংয়ের বাসিন্দাদের কাছে আবেদন করছি, অপরাধীদের খুঁজে বের করতে সরকারকে সাহায্য করুন। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, সরকার আইনের অধীনে ন্যায়বিচার দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করবে। রাজ্য সরকার ঘটনাটিকে মোটেই সহজভাবে নিচ্ছে না। অপরাধীদের ধরতে এলাকায় আরও পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হবে।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed