Actor MP DEV: ‘আমার কাছে চেয়েছিল…’ মহিলারা আগেই গর্জেছিলেন, মোবাইলের অডিয়ো বেরোতেই দেবের নামে নালিশ গেল ‘দিদি’ মমতার কাছে – Bengali News | Actor mp dev: Explosive allegations against Dev, complaint went to Mamata Banerjee
অভিনেতা সাংসদ দেবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগImage Credit source: Facebook
পশ্চিম মেদিনীপুর: কিছুদিন আগেই গর্জে উঠেছিলেন গ্রামের মহিলারা। ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী তথা দেব তিনটি পদ থেকে ইস্তফা দিতেই গ্রামের মহিলারা অভিযোগ করেন ‘আমরা তো টাকাই পেলাম না।’ এবার দেবের নামে বিস্ফোরক অডিয়ো ক্লিপ ফাঁস। ‘দেব আমার কাছ থেকে কাজের কমিশন চাইছে’- ঘাটালের সাংসদ অভিনেতা দেবকে ঘিরে জেলারই দাপুটে তৃণমূল নেতার কথোপকথনের ভাইরাল অডিয়ো ফাঁস হতেই শুরু জোর গুঞ্জন। TV9 বাংলার হাতে এসেছে সেই অডিয়ো। যদিও তার সত্যতা যাচাই করেননি TV9 বাংলা। গলার স্বর শুনে অনুমান করা হচ্ছে, অডিয়োটি যাঁর, তিনি ঘাটালের তৃণমূল নেতা শঙ্কর দোলই। শঙ্কর ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক, বর্তমানে তিনি ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি।
সেই অডিয়োতে শোনা যাচ্ছে, শঙ্কর দোলই কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলছেন। তিনি সেখানে বলছেন, “আমি দিদিকে বলেছি, দেব আমার কাছ থেকে কাজের কমিশন চাইছে। আমি তো দিদিকে বিষয়টি বলেছি। দিদি জানে তারপরেও ওকে এমপি করেছেন।” কথা প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “কেন ওকে আমাদের রাজনীতিতে প্রয়োজন, এখানে সততা বলে কিছু নেই।”
যদিও এই অডিয়ো ক্লিপ নিয়ে সাংসদ প্রতিনিধি রাম পদ মান্নাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি ক্যামেরার সামনে কোন প্রতিক্রিয়া দেন নি। তবে তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়টি দেবের নজরেও আনা হয়েছে। এই অডিয়ো শঙ্কর দোলইয়ের বলেই দাবি করেছেন তিনি। এই বিষয়ে শঙ্কর দোলই বলেন, “এই ভাইরাল অডিয়ো নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। কোথাও কোনও একটা চক্রান্ত রয়েছে। এটা মিথ্যা না সত্য, তা যাচাই না করে কিছু বলব না। আমার সঙ্গে দেবের কোনও ঝগড়া নেই।”
এই খবরটিও পড়ুন
এই মুহূর্তে দিল্লিতে রয়েছেন সাংসদ দেব। এ নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন TV9 বাংলার প্রতিনিধি। ভাইরাল অডিয়ো নিয়ে দেব স্পষ্টতই বলছেন, “আমার উপর কিছু নির্ভর করে নেই। আমার যা করার, যা বলার, তা আমি দলকে বলে দিয়েছি। যে অডিয়ো ক্লিপটি বেরিয়েছে, সেই মতো দেখলে, দিদি আর ওর মধ্যে কিছু কথা হয়েছে। দিদিই উত্তরটা দেবেন। আমার কিছু বলার নেই।”
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ঘাটালের গ্রামের একদল মহিলা বিক্ষোভ দেখান। করোনার সময়ে ঘাটাল হাসপাতালে তিরিশ জন অস্থায়ী কর্মীকে নিয়োগ করা হয়। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের দেখভাল করতেই মূলত নিয়োগ করা হয় তাঁদের। কিন্তু কাজ করলেও, তাঁরা কোনও পারিশ্রমিক পাননি বলে অভিযোগ ওঠে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ,জেলা প্রশাসন ও সাংসদ তথা ঘাটাল হাসপাতাল রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান দেবেরও দ্বারস্থ হয়। দেব সে সময়ে হাজার হাজার বকেয়া টাকা মেটানোর আশ্বাসও দেন। কিন্তু দেব পদ থেকে ইস্তফা দিতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মহিলারা।