সংঘাতের আবহে সতর্ক কলকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, কঠোর নিয়ম মানতে হবে যাত্রীদেরওে - 24 Ghanta Bangla News
Home

সংঘাতের আবহে সতর্ক কলকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, কঠোর নিয়ম মানতে হবে যাত্রীদেরওে

Spread the love

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংঘাত সৃষ্টির জেরে ভারতের অন্যান্য বিমানবন্দরের পাশাপাশি কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তাও বাড়ানো হয়েছে। সুরক্ষাব্যবস্থা আরও আঁটোসাঁটো করতে করা হয়েছে বেশ কিছু জরুরি ও আপতকালীন পদক্ষেপ।

তথ্য বলছে, আপাতত কলকাতা বিমানবন্দরে ঢোকা ও বেরোনোর পথে কোনও গাড়ি দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে না। নিরাপত্তা যাতে কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, তার জন্যই অ্যারাইভাল এবং ডিপারচারের পথে এই নিয়ম চালু করা হয়েছে।

আগেও বিমানে ওঠার আগে প্রত্যেক যাত্রী ও তাঁদের সঙ্গে থাকা সমস্ত জিনিসপত্র তল্লাশি করা হত। সেই প্রক্রিয়া তো বলবৎ থাকছেই। এর পাশাপাশি, বিমানে ওঠার ঠিক আগে, একেবারে শেষ মুহূর্তে ফের একবার যাত্রীদের তল্লাশি করা হচ্ছে।

নিরাপত্তার স্বার্থেই যাত্রীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁরা যেন তাঁদের উড়ান শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়সীমার অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে এসে পৌঁছন।

এছাড়াও, সরকারি নির্দেশ মোতাবেক সংশ্লিষ্ট উড়ান সংস্থাগুলির পক্ষ থেকেও তাদের যাত্রীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এবং সেই নির্দেশিকায় থাকা সমস্ত নির্দেশ সকল যাত্রীকে কঠোরভাবে মেনে চলতে বলা হচ্ছে।

অন্যদিকে, বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ কর্মীদের সমস্ত ছুটি বাতিল করা হয়েছে। যাঁরা আগেই ছুটি নিয়ে বাড়িতে বা অন্য কোথাও গিয়েছিলেন, তাঁদের ছুটি থেকে অবিলম্বে ফিরতে এবং ডিউটিতে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে, অধিকাংশ আন্তর্জাতিক উড়ান বর্তমানে পাকিস্তানের আকাশসীমা এড়িয়ে চলছে। পাশাপাশি, উত্তর ও পশ্চিম ভারতের আকাশেও অসামরিক বিমানের উড়ান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে বিমানগুলিকে অনেকটা ঘুরপথে পশ্চিম এশিয়া ও ইউরোপে যাতায়াত করতে হয়েছে।

এর জেরে পূর্ব এশিয়া থেকে যে বিমানগুলি চলাচল করছে, সেগুলি কলকাতা-নাগপুর হয়ে সফর করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে উড়ানের সময়, বিমানের জ্বালানিবাবদ খরচ যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)-এর কর্মীদের কাজের চাপ। একইসঙ্গে, পাইলট এবং কেবিন ক্রু-এর উপরও চাপ বাড়ছে।

আগামী ১৫ মে (২০২৫) পর্যন্ত পশ্চিম এবং মধ্য ভারতের একাংশের মোট ২৭টি বিমানবন্দর বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে ভারত সরকার। গোটা পরিস্থিতির জেরে সব মিলিয়ে রোজ ৪০০টিরও বেশি বিমান বাতিল করতে হচ্ছে। কলকাতার ক্ষেত্রে দৈনিক বিমান বাতিলের সংখ্যাটা ১০ থেকে ১২-র মধ্যে থাকছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *