‘কীসের এত তাড়াহুড়ো ছিল?’ প্রশ্ন কুণালের, তাঁর দুয়ারেই চাকরিহারারা, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘কীসের এত তাড়াহুড়ো ছিল?’ প্রশ্ন কুণালের, তাঁর দুয়ারেই চাকরিহারারা, বাংলার মুখ

Spread the love

কুণাল ঘোষের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন এসএসসির চাকরিহারাদের একাংশ। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের সঙ্গে দেখা করতে যান তাঁরা। তবে চাকরিহারারা এখন ৭ এপ্রিলের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। সেদিনই নেতাজি ইন্ডোরে চাকরিহারাদের সঙ্গে কথা বলবেন রাজ্যের মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেদিকেই তাকিয়ে আছেন চাকরিহারাদের অনেকেই।

তবে এসবের মধ্য়েই সংবাদমাধ্য়মের সামনে মুখ খুলেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, ‘কীসের এত তাড়াহুড়ো ছিল মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের। সিবিআইয়ের বহু মামলা রয়েছে যেগুলি সময় সাপেক্ষ। সময় সাপেক্ষ। এটা কোন ধরনের বিচার হয়েছে! এই রায়টি সুস্থ স্বাভাবিক ন্যায় বিচার বলে মনে করছি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সরকার চায় জাস্টিস ফর অল। যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে , যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তাদের বাঁচাতে রক্ষা করতে পাশে থাকতে কোনও চেষ্টা করবেন না, করছেন না। কিন্তু যে ছেলেমেয়েগুলি চাকরি করছে তাদের সকলকে জলে ফেলে দেওয়া এই রায়কে সমর্থন করা যাচ্ছে না। সেখান থেকে বিরোধীরা সিপিএম বিজেপি কংগ্রেস তারা উসকানিমূলক মিথ্য়া ও কুৎসা প্রচার করছে।’

এদিকে এসবের মধ্য়েই মহা অনিশ্চয়তার মাঝে পড়েছেন চাকরিহারারা। কুণাল ঘোষ বলেন, ‘সব মিলিয়ে ৫৩০৩ জনের অসংগতি। তাহলে বাকিদের চাকরি গেল কেন? ২০ হাজার ৪৫০ তাদের চাকরি গেল কেন? এখানে যদি কোথাও কোনও ধোঁয়াশা থাকে সিবিআইয়ের দায়িত্ব ছিল তারপরে কেন সুপ্রিম কোর্ট চাকরি খাওয়ার নির্দেশ দিতে পারে। একটা অভিযোগ আসছে যে ওএমআর শিটে গন্ডগোল আছে সেটা কোথা থেকে পাওয়া গেল? নাইসা বলে সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল। সেই নাইসা অপর সংস্থাকে দায়িত্ব দেয়। ’দাবি কুণালের। 

এদিকে ৭ এপ্রিল একই দিনে দুটি কর্মসূচি। একদিকে নেতাজি ইন্ডোরে চাকরিহারাদের সভাতে উপস্থিত থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার ওই একই দিনে দুর্নীতির প্রতিবাদে মিছিল করবে যুব মোর্চা। 

এসবের মাঝে পড়ে চাকরিহারাদের নাভিশ্বাস উঠছে। কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব সেটা তারা কিছুতেই বুঝতে পারছেন না। মূলত আগামী দিনে কীভাবে পরিবারকে টেনে নিয়ে যাবেন সেটাই চিন্তার। অনেকেরই দাবি এখন পরীক্ষা দিলে কি পাস করা সম্ভব? কারণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দেওয়ার জন্য় যে পড়াশোনা করতে হয় সেটা থেকে অনেকটাই সরে গিয়েছেন তাঁরা। তবে তাঁদের একাংশের দাবি এই চুরি দুর্নীতির ঘটনা যদি না হত তবে তো আজ এই পরিস্থিতি তৈর হত না। 

 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *