বুনো হাতিদের ঠিকুজি তৈরি করছে বন দফতর, অরণ্য ভবন নজরদারি করবে পোর্টালে - 24 Ghanta Bangla News
Home

বুনো হাতিদের ঠিকুজি তৈরি করছে বন দফতর, অরণ্য ভবন নজরদারি করবে পোর্টালে

Spread the love

জমিতে দাপিয়ে বেরিয়ে ফসল নষ্ট করে তারা। লোকালয়ে চলে এসে তাণ্ডবও দেখায়। মিড–ডে মিলের খাবার খেয়ে নেয়। আর তাড়াতে গেলে প্রাণ নিয়ে নেয়। হ্যাঁ, এরা বেয়াড়া দলছুট বুনো হাতির দল। এমন পরিস্থিতি বারবার সংবাদে উঠে আসে। কারণ নানা মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। আবার বন দফতরকে তাদের তাড়াতে বিস্তর হ্যাপা পোহাতে হয়। এবার সব দিক বজায় রাখতে বুনো হাতিদের ঠিকুজি তৈরি করছে বন দফতর। অনলাইন এই তথ্যপঞ্জি রাখা হবে। যা এক ক্লিকেই বুনো হাতিদের গতিবিধি জানা যাবে। বনাঞ্চলে থাকা ওই বুনো হাতিদের এভাবেই গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে অরণ্য ভবন। তাই তৈরি করা হচ্ছে পোর্টাল। যার পোশাকি নাম ‘‌ডব্লুবি ডট এলিফ‌্যান্টস ডট ইন।’‌

হাতে আর দু’‌দিন বাকি। তারপরই ১ এপ্রিল। ওই দিনই অরণ্য ভবনে এই পোর্টালের উদ্বোধন হবে। যা করবেন রাজ্যের প্রধান মুখ্য বনপাল তথা চিফ ওয়াইল্ড লাইফ ওয়ার্ডেন দেবল রায়। তিনি এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘নয়া পোর্টালের মাধ্যমে হাতিদের অবস্থান, সংশ্লিষ্ট এলাকার গুগল ম্যাপ–সহ যাবতীয় তথ্য সামনে চলে আসবে। তার ফলে অত্যন্ত সহজ হবে বুনো হাতিদের উপর নজরদারি চালানো। বছর শেষ হলে বোঝা যাবে কোন এলাকায় কত হাতি স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। হাতি এবং মানুষের সংঘাত যাতে না ঘটে তাই এমন পদক্ষেপ।’‌

আরও পড়ুন:‌ উস্কানিমূলক পোস্টার–প্ল্যাকার্ড ছড়িয়ে হিংসার ছক, রাজ্যবাসীকে সতর্ক করল পুলিশ

বন দফতর সূত্রে খবর, হাতিদের যাতায়াত সবচেয়ে বেশি দেখা যায় পুরুলিয়া, কংসাবতী উত্তর এবং কংসাবতী দক্ষিণে। এর মধ্যে রয়েছে বাঁকুড়া উত্তর, বাঁকুড়া দক্ষিণ এবং পাঞ্চেত। তবে মেদিনীপুর, খড়্গপুর, ঝাড়গ্রামেও হাতির যাতায়াত রয়েছে। বর্ধমান, বীরভূম এবং দুর্গাপুরেও হাতি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। আর পশ্চিমাঞ্চলের বাকি জেলা হাতিদের ট্রানজিট জোন বলা হয়। বাঁকুড়া উত্তরে প্রায় আড়াই মাস ধরে ৭০টি হাতি স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। বাঘমুণ্ডি এবং অযোধ্যা বনাঞ্চলে একমাস ধরে ১২টি হাতি রয়েছে।

রাজ্য বন দফতর সূত্রে খবর, নয়া পোর্টালে এই হাতিদের অবস্থান যেমন জানা যাবে তেমন প্রত্যেকর স্বভাব, প্রকৃতি, বয়স, ওজন, উচ্চতার বিবরণও থাকবে। হাতিদের হামলা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য সেখানে থাকবে। প্রত্যেকদিন প্রত্যেকটি বিভাগ থেকে আসা তথ্য হাতিদের নিয়ে এখানে তুলে ধরা হবে। যাকে বলা হয় লেটেস্ট আপডেট। এই পোর্টালের মাধ্যমে জানা যাবে নানা বিভাগের অফিসার ও কর্মীদের ফোন নম্বর। যাতে সহজে যোগাযোগ করা যায়। এই বিষয়ে একটি বৈঠকও হয় মেদিনীপুরে। সেখানে যাঁরা হাতিদের নোডাল অফিসার তাঁরা ছিলেন এবং একজন করে রেঞ্জ অফিসার ও কারিগরি কর্মীরা ছিলেন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *