Telangana Tunnel Collapse: হাজার ডেকেও মিলছে না সাড়া! ২৪ ঘণ্টা পেরিয়েও কাদা-জলে তেলঙ্গানার সুড়ঙ্গেই আটকে শ্রমিকরা - Bengali News | After 24 Hours Still No Connection With eight labourers, Stuck in Telangana Tunnel Collapse - 24 Ghanta Bangla News
Home

Telangana Tunnel Collapse: হাজার ডেকেও মিলছে না সাড়া! ২৪ ঘণ্টা পেরিয়েও কাদা-জলে তেলঙ্গানার সুড়ঙ্গেই আটকে শ্রমিকরা – Bengali News | After 24 Hours Still No Connection With eight labourers, Stuck in Telangana Tunnel Collapse

Spread the love

তেলঙ্গানা সুড়ঙ্গে ধসImage Credit source: PTI | X

হায়দরাবাদ: বাড়ছে চিন্তা, চড়ছে উদ্বেগ। ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি তেলঙ্গানার নাগাড়কুরন্নুল জেলার শ্রীসৈলাম সুড়ঙ্গে আটক আট শ্রমিককে। গতকাল সন্ধ্যা ৮.৩০ নাগাদ ঘটে দুর্ঘটনাটি। ধসে পড়ে নির্মীয়মান সুড়ঙ্গের একটা অংশ। তৎক্ষণাৎ পরিস্থিতিতে সুড়ঙ্গ থেকে ১২-১৩ জন শ্রমিক বেরিয়ে আসতে পারলেও, শেষের সারিতে থাকায় আটকে পড়ে গোটা আটেক শ্রমিক।

আপাতত সেই ঘটনা ঘটে কেটে গিয়েছে ২৪ ঘণ্টা। এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি সেই আটকে থাকা শ্রমিকদের। তার মধ্যেই আবার ছিন্ন হয়েছে যোগাযোগ। ফলত, ঠিক কী অবস্থা সুড়ঙ্গের মধ্যে রয়েছেন তারা, এই বিষয়ে সম্পূর্ণ ধোঁয়াশায় কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলার চারটি দল। সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। কিন্তু সেই কাজেও সমস্যা বাড়িয়েছে সুড়ঙ্গের ভিতরের কাদা-জল।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গে সাড়ে ১৩ কিলোমিটার অন্দরে আটকা পড়েছেন শ্রমিকরা। যে জায়গায় ধস নেমেছে, সেখানে পাথর সরে যাওয়ার কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে সুড়ঙ্গের ছাদ। তাই যে কোনও মুহূর্তে যদি সেটি ভেঙে পড়ে, তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে বলেই মত তাদের। তাছাড়াও, সুড়ঙ্গের ভিতর নাকি একদম কাদা-জলে ভরে গিয়েছে বলেই জানাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। তাই যতক্ষণ না সেই জল বের করা হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত শ্রমিকদের উদ্ধার করাটাও বেশ কঠিন।

জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের এক আধিকারিক জানান, গতরাতে উদ্ধারকারীদের একটি দল ধসের অনেকটা কাছ পর্যন্ত গিয়েছিল। তারা সেখানে গিয়ে শ্রমিকদের নাম ধরেও ডাকে, কিন্তু অপর প্রান্ত থেকে কোনওই সাড়া পাওয়া যায় না।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *