‘এখন গড়ে ৮০-৯০ করে পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে...!’ অভিভাবকদের বললেন মমতা, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘এখন গড়ে ৮০-৯০ করে পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে…!’ অভিভাবকদের বললেন মমতা, বাংলার মুখ

Spread the love

আগেকার দিনে পরীক্ষার প্রশ্ন বড্ড কঠিন হত। আর সেই কারণেই ‘৪০-এর বেশি নম্বরই’ পাওয়া যেত না! কিন্তু, এখন প্রশ্ন সহজ হয়। আর এভাবেই ‘এখন গড়ে ছাত্রছাত্রীদের ৮০-৯০ করে (নম্বর) পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে!’ মঙ্গলবার মাধ্যমিকের ভূগোল পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মুখোমুখি হয়ে কার্যত এমনই মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) হঠাৎই দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরের ইউনাইটেড মিশনারি গার্লস হাইস্কুলের সামনে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে দেখে প্রথমে রীতিমতো হকচকিয়ে যান স্কুলের বাইরে অপেক্ষারত অভিভাবকরা। তখন পরীক্ষা শেষ হতে আর সামান্য কিছু সময়ই বাকি রয়ে গিয়েছে।

এমনই সময়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে হাজির হয়ে ‘পরীক্ষা কেমন হচ্ছে’ – সেই বিষয়ে খোঁজখবর নেন মমতা। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে এত কাছে পেয়ে, এভাবে তাঁদের সন্তানদের পরীক্ষা নিয়ে খবর নিতে দেখে, স্বভাবতই খুশি হন অভিভাবকরা। তাঁরা রাজ্যের প্রধান প্রশাসনিক ‘অভিভাবক’কে জানান পরীক্ষা ভালোই হচ্ছে। প্রশ্ন সহজ হচ্ছে।

মমতা একথা শুনে খুশি হন। তখনই তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এখন তো অনেক সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের সময় ৪০-এর বেশি নম্বরই দিত না। এখন গড়ে ৮০-৯০ করে পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। যাতে ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষার প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে না পড়ে। কারণ, আইএসসি এবং সিবিএসই-র পরীক্ষার্থীরা অনেক বেশি নম্বর পায়। আমি সবসময় বলি, প্রশ্ন শক্ত কোরো না।’

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের ছেলেমেয়েরা যদি ভালো নম্বর না পায়, তাহলে প্রতিযোগিতায় কী করে যাবে? সেই জন্যই এই চেঞ্জ করা হয়েছে।’

এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী স্কুলের সামনে এসেছেন শুনে স্কুল থেকে কয়েকজন শিক্ষিকাও বেরিয়ে আসেন। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে স্কুলের ভিতরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু, মমতা তাঁদের বলেন, যেহেতু এখন পরীক্ষা চলছে, তাই তিনি ভিতরে যাবেন না। পরে কোনও এক সময় আসবেন।

তিনি শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের জানান, তাঁর ভাইঝিও একটা সময় এই স্কুল থেকেই পড়াশোনা করেছিল। তিনি স্কুলের শিক্ষিকাদের বলেন, স্কুলবাড়িটি ভালো করে রং করাতে। শুধু তাই নয়, রঙের খরচ বহন করারও বার্তা দেন।

মুখ্যমন্ত্রী শিক্ষিকাদের বলেন, তাঁরা যখন স্কুলবাড়িটি রং করাবেন, তার আগে খরচের হিসাব যেন তাঁর কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শিক্ষিকারা জানতে চান, কোথায় পাঠাবেন সেই হিসাব?

জবাবে মমতা হেসে বলেন, ‘আমার একটা বাড়ি আছে, বাড়িতে অফিস আছে। ওখানেই জমা দেবেন।’

ইতিমধ্যেই পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ায় এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী স্কুল থেকে বেরিয়ে এসে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রণাম করে। তাঁকে আশীর্বাদ করে সেখান থেকে যাওয়ার আগে অভিভাবকদের উদ্দেশে মমতা বলে যান, ‘কখনও এদের বকবেন না। সব ঠিক হয়ে যাবে। আপনাদের বাচ্চাদের জন্য অনেক শুভকামনা।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *