TMC: পূর্ব মেদিনীপুরের ২ সমবায়ে উড়ল সবুজ আবির, কী বলছে বিজেপি? – Bengali News | TMC wins two cooperative society election in Purba Medinipur
পূর্ব মেদিনীপুরের দুটি সমবায়ে জিতল তৃণমূল
ভগবানপুর: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে পূর্ব মেদিনীপুরে আরও দুটি সমবায় সমিতিতে জয়লাভ করল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি ও বামেদের জোটকে পরাস্ত করে ভগবাপুর ১ নম্বর ব্লকের মাশুড়িয়া সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির নির্বাচনে জয়জয়কার তৃণমূল প্রার্থীদের। আবার রামনগর বিধানসভার পদিমা ১ অঞ্চলে সরিপুর সমবায় সমিতিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতল রাজ্যের শাসকদল।
রবিবার মাশুড়িয়া সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির ৯টি আসনের মধ্যে ৫টি আসন দখল করল শাসকদল। এদিন সকাল থেকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মাশুড়িয়া সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতির নির্বাচন হয়। বিকেলে ফল ঘোষণার পর দেখা যায়, ৯টি আসনের মধ্যে ৫টি আসনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। এবং ৪টি আসনে জয়লাভ করে BJP ও CPM-র জোট প্রার্থীরা। এই সমবায়ে মোট ভোটার ছিল ৬৪৭। ভোট পড়েছে ৬০১টি। এই সমবায়ে ২০ বছর ভোট হল। সেই নির্বাচনে জিতল রাজ্যের শাসকদল। জয়লাভের পরে বাজি ফাটিয়ে সবুজ আবির খেলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা।
সমবায় নির্বাচনে জিতে ভগবানপুর ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অরূপ সুন্দর পন্ডা বলেন, “এই সমবায় সমিতি প্রায় ২০ বছরের বেশি সিপিএম-এর সিলেক্টেট কমিটি হিসেবে ছিল। এবার বিজেপি সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে সিপিএম লড়াই করেছিল। সেই জোটকে হারিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করেছে। এই জয় থেকে এটা প্রমাণ হয় যে, মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আছে। উন্নয়নের সঙ্গে আছে।”
এই খবরটিও পড়ুন
সিপিএমের সঙ্গে জোটের অভিযোগ উড়িয়ে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি দেবব্রত কর বলেন, “৯টা আসনের মধ্যে ৪টিতে বিরোধীরা জিতেছে। বাকিগুলিতে সামান্য ব্যবধানে হেরেছেন প্রার্থীরা। আমরা লড়াই করছি। লড়াই জারি থাকবে। ছাব্বিশের নির্বাচন নিশ্চিত ভাল হবে।”
অন্যদিকে, রামনগর বিধানসভার পদিমা ১ অঞ্চলের সরিপুর সমবায় সমিতিতে ডেলিগেট নির্বাচনে রবিবার মনোনয়ন তোলার দিন ছিল। ৬২ আসনে তৃণমূল প্রার্থীরা মনোনয়ন তুললেও বিরোধীরা কেউ মনোনয়ন তোলেনি। ফলে তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হলেন।
ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের সহ-সভাপতি তথা এই সমবায় সমিতির নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত তৃণমূল নেতা কমল আদক বলেন, “দীর্ঘ ৩৪ বছর বাম জমানায় এই সমবায় সমিতি একেবারে তলানিতে ঠেকেছিল। কোনও উন্নয়ন হয়নি। অনেকটা পিছিয়ে পড়েছিল। গতবারে তৃণমূল কংগ্রেসের বোর্ড সমিতির হাল ধরেছে। মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে বুঝতে পেরেই বিরোধীরা মনোনয়ন তোলেনি। আমরা চেয়েছিলাম ভোট হোক।”
