South 24 Parganas: স্কুলের স্পোর্টসে 'অনুদান' চেয়ে চাপ শিক্ষক শিক্ষিকাদের? - Bengali News | Allegation demanding personal donation from teacher for school sports at south 24 parganas - 24 Ghanta Bangla News
Home

South 24 Parganas: স্কুলের স্পোর্টসে ‘অনুদান’ চেয়ে চাপ শিক্ষক শিক্ষিকাদের? – Bengali News | Allegation demanding personal donation from teacher for school sports at south 24 parganas

Spread the love

ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ঘিরে বিতর্ক।Image Credit source: TV9 Bangla

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: জলপাইগুড়িতে এরকমই অভিযোগ উঠেছিল। সরকারি স্কুলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সেখানে জোর করে শিক্ষক শিক্ষিকাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে। এবার একই অভিযোগ সামনে এল দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রাথমিক স্কুলের জেলাস্তরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। তার জন্য ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তারপরও জেলার শিক্ষক শিক্ষিকাদের একাংশের অভিযোগ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নামে স্কুল শিক্ষকদের কাছ থেকে ‘চাঁদা’ নেওয়া হচ্ছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বড় অংশের শিক্ষক শিক্ষিকা এ নিয়ে সরব হয়েছেন। এমনকী তারা এই অনুদান নেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানের কাছে ডেপুটেশনও জমা দিয়েছেন। যদিও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান অজিত নায়ককে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন না ধরায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আগামী ৩০ জানুয়ারি ও ৩১ জানুয়ারি জেলা স্তরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হবে সোনারপুরে। পর্ষদের নির্দেশই রয়েছে, জেলার সমস্ত ক্রীড়া কোঅর্ডিনেটর ও মহকুমাস্তরের কোঅর্ডিনেটরদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। অথচ এরইমধ্যে এই টাকা নেওয়ার বিষয়টি হচ্ছে বলে অভিযোগ।

এই খবরটিও পড়ুন

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পাঁচটি মহকুমার ৫১টি সার্কেল রয়েছে। সার্কেল পিছু বরাদ্দ হয়েছে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। মহকুমাস্তরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য ১ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ। জেলার জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৫ লক্ষ টাকা। তারপরও এই টাকা চাওয়ার অভিযোগ। এ বিষয়ে রাজ্য প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া পর্ষদের সহকারী সভাপতি মইদুল ইসলাম বলেন, “এই প্রথম এরকম অভিযোগ আমার কাছে এল। রাজ্য সরকার, পর্ষদ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে সরকার ক্রীড়া খাতে যা বরাদ্দ করেছে তা থেকেই সবটা হবে। এবার বরাদ্দও বেড়েছে। কোনও চাঁদা নেওয়ার প্রশ্নই নেই।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *