Maha Kumbh Mela: মহাকুম্ভে ঘুরে বেড়াচ্ছে পাকিস্তানি! কোন উদ্দেশ্য সাধনে এসেছে তারা? – Bengali News | Pakistani Hindus Took Dip in Maha Kumbh Sangam
প্রয়াগরাজ: বছর বছর ধরে ভারত-পাকিস্তানের দড়ি টানাটানি। আর তাতে খানিকটা সময়ের জন্য স্তব্ধতা আনল মহাকুম্ভ। দুই দেশের মানুষকে ত্রিবেণী সঙ্গমের নদী স্রোতের মতোই যেন জুড়ে দিল এই পুণ্য উৎসব।
দেশ-বিদেশের নানা প্রান্ত থেকে মহাকুম্ভে ছুটে এসেছেন পুণ্যার্থীরা। এসেছেন অ্য়াপেলের এককালে কর্ণধার স্টিভ জবসের স্ত্রীও। দূরত্ব কার্যত উপেক্ষা করে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে পুণ্যস্নানে এসেছেন অনেকেই। এবার তাদের মতো মহাকুম্ভে এসে হাজির পাকিস্তানিরা।
উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন সূত্রে খবর, পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশ থেকে প্রয়াগরাজে হাজির হয়েছেন ৬৮ জন হিন্দু পুণ্যার্থী। বৃহস্পতিবার গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতী মহাসঙ্গমে পুণ্যস্নান করেন তারা। মূলত, পিতৃপুরুষদের অস্থি বিসর্জনেই দূরত্ব ভুলে এদেশে এসেছেন তারা।
এই পুণ্যার্থীদের দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মহন্ত রামনাথ। তিনি বলেন, হরিদ্বার ঘুরে প্রয়াগরাজে এসেছেন তারা। সেখানে মোট ৪৮০ জন পিতৃপুরুষের অস্থি বিসর্জনের পরেই কুম্ভযাত্রার জন্য বেরিয়ে পড়েন তারা। এখানে এসে এক ফাঁকে সেরে ফেলেন পুণ্যস্নানও।
কুম্ভস্নানে আসা সেই পুণ্যার্থীরা
সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কুম্ভমেলার সেক্টর ৯-এর শ্রীগুরু কার্শনি শিবিরে উঠেছেন এই সিন্ধবাসীরা। সেই তাঁবুতেই বসবাসরত গোবিন্দরাম মাখেজা নামে এক পাকিস্তানি হিন্দু পুণ্যার্থী জানান, ‘মাস তিনেকে আগে যখন শুনি, ১৪৪ বছর মহাকুম্ভের আয়োজন হতে চলেছে, তখন থেকেই একটা মানসিক প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘এর আগের বছর সিন্ধ প্রদেশ থেকে মোট ২৫০ জন প্রয়াগরাজে পুণ্যস্নানে এসেছিলেন। এই বছর সংখ্য়া অনেকটা কম। সিন্ধ প্রদেশের ছয় জেলা মিলিয়ে মোট ৬৮ জন পুণ্যার্থী যোগ দিয়েছেন মহাকুম্ভে।’
কুম্ভে এসে তারা যে একেবারে অভিভূত সেই কথাটাও জানান গোবিন্দবাবু। তাঁর কথায়, ‘এটা একটা অন্যরকম অনুভূতি যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি, প্রথমবার ভারতে এসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তেরও সাক্ষী হলাম।’
