India-Bangladesh: BSF-কে কেন চিনিয়ে দিয়েছিলেন বাড়ি? রাগে পঞ্চায়েত সদস্যকে বেধড়ক মার দুষ্কৃতীর – Bengali News | Mischief accused to beaten panchayat pradhan in india bangladesh border
আহত পঞ্চায়েত সদস্য
Image Credit source: Tv9 Bangla
হিলি: পুলিশের খাতায় নাকি ফেরার। সেই দুষ্কৃতীর মারে রক্তাক্ত গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। মারধরের পর আবার চম্পট দেয় বাংলাদেশের দিকে। কিন্তু লাভের লাভ হল না। পরে পুলিশের জালে ধরা পড়ল অভিযুক্ত। রবিবার দুপুরের ওই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে হিলি থানার অন্তর্গত ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের ওপারে ভারতীয় ভূখণ্ডে শ্রীকৃষ্ণপুর গ্রামে। এ দিকে, এই ঘটনায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর রবিবার বিকেলেই পুলিশে দ্বারস্থ হয়েছে ওই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। হিলি থানার পুলিশ অভিযোগ পেতেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সোমবার হিলি থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে অভিযুক্ত। এদিন ধৃতকে বালুরঘাট জেলা আদালতে তোলা হলে দুদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। পুরো ঘটনা খতিয় দেখা হচ্ছে বলে এদিন সন্ধ্যায় ডিএসপি হেড কোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ জানিয়েছেন।
হিলি থানার ধলপাড়া পঞ্চায়েতের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের ওপারের ভারতীয় ভূখণ্ডের শ্রীকৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা তথা তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য অরুণ মাহাত। ওই গ্রামেরই বাসিন্দা মচ্ছিরউদ্দিন মণ্ডলের বাড়িতে গতকাল রাতে পুলিশ বিএসএফ যৌথ অভিযান চালায়। ওই অভিযানে আইনানুগ কারণে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অরুণ। তিনি মচ্ছিরউদ্দিন বাড়ি চিহ্নিত করে দিয়েছিলেন। এরপর রবিবার সকালে জমিতে চাষের কাজে বেরিয়েছিলেন পঞ্চায়েত সদস্য। পথে গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলছিলেন। অভিযোগ, সেইসময় আচমকাই অরুণবাবুর পথ আটকে দাঁড়ায় মচ্ছিরউদ্দিন। পুলিশ দিয়ে কেন তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে, সেই অভিযোগ তুলে বচসা শুরু করে। তারপরেই পঞ্চায়েত সদস্যকে বেধড়ক মারধর শুরু করে অভিযুক্ত। তারপরই বাংলাদেশের দিকে চম্পট দেয় ওই দুষ্কৃতী। সেখানেই বেশ খানিকক্ষণ লুকিয়ে ছিল সে। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলে ফের ভারতে ঢোকার চেষ্টা করে অভিযুক্ত। তখনই ধরা পড়ে প্রথমে বিএসএফ-এর কাছে। তারপর তাকে গ্রেফতার করে হিলি থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মচ্ছিরউদ্দিন মণ্ডল বিরুদ্ধে হিলি থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ভিন রাজ্যেও মামলা রয়েছে। অবৈধ চোরাচালান, অনুপ্রবেশকারীদের এ দেশে ঢোকানোর চক্রে জড়িত সে। দীর্ঘদিন থেকে ওই দুষ্কৃতীকে বাগে পেতে খোঁজ করছিল পুলিশ। অবশেষে হাতেনাতে ধরা পড়ল সে। এ দিন, অরুণবাবু বলেন, “বিএসএফ এলাকায় গিয়েছিল। আমায় জিজ্ঞাসা করছিল এটা মছিরুদ্দিনের বাড়ি? আমি বললাম হ্যাঁ স্যর। আজ সকালে চাষের কাজে যাচ্ছিলাম। সেই সময় আমায় মারধর করেছে।”
