Wriddhiman Saha Retirement Match: পছন্দের ক্যাপ্টেন কে? নিজের নেতৃত্ব নিয়েও মুখ খুললেন ঋদ্ধিমান সাহা – Bengali News | Ranji Trophy: Wriddhiman Saha talks about his favorite captain and own captaincy ahead of Retirement match
একটা দিন সকলকেই থামতে হয়। কিছু দিন আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। আর ক্রিকেটার হিসেবে পুরোপুরি এই খেলাকে বিদায় জানাতে চলেছেন তাঁর জাতীয় দলের সতীর্থ। বাংলার অন্যতম সেরা, গর্বও। বিশ্বের অন্যতম সেরা উইকেটকিপার ঋদ্ধিমান সাহা। মরসুমের শুরুতেই ঘোষণা করেছিলেন, এ বারই শেষ। কাল থেকে রঞ্জি ট্রফির সপ্তম রাউন্ডের ম্যাচ। ইডেন গার্ডেন্সে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে নামছে বাংলা। নকআউটের সম্ভাবনা নেই। ফলে এটিই ঋদ্ধিমান সাহার অবসরের ম্যাচ। ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে নানা কথাই উঠে এল ঋদ্ধিমান সাহার মুখে।
ঘরোয়া ক্রিকেট, আইপিএল, জাতীয় দল। সব মিলিয়ে দীর্ঘ কেরিয়ার। ঋদ্ধিমান সাহাকে কিন্তু ক্যাপ্টেন্সি করতে দেখা যায়নি। তা নিয়ে আক্ষেপও নেই। শেষ ম্যাচে কি ক্যাপ্টেন্সি করতে দেখা যাবে ঋদ্ধিকে? এখনও অবধি নিশ্চিত নয়। তবে হতেই পারে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো ঘটনা। কেরিয়ারের শেষ টেস্টে সৌরভকে সম্মান জানাতে কিছুক্ষণের জন্য় ফের জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন্সি করতে দিয়েছিলেন তৎকালীন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি।
কেরিয়ারের শেষ ম্যাচের আগে ইডেন গার্ডেন্সে সাংবাদিক সম্মেলনে ক্যাপ্টেন্সি প্রসঙ্গে ঋদ্ধিমান সাহা বলেন,’ক্যাপ্টেন্সি! ওটাতে কী হবে? টস না করলে কি ক্যাপ্টেন নয়? ক্যাপ্টেন্সির ট্যাগ নিয়ে বিশ্বাস করি না। মাঠে প্রয়োজনে সেম ইনপুটই দিই। হতে পারে এই ম্যাচে কিছুক্ষণের জন্য় ক্যাপ্টেন্সি করলাম। টস করতে পারব না, এটাই পার্থক্য।’ কেরিয়ারের শেষ ম্যাচেও লক্ষ্য টিমের জন্য অবদান রাখাই। অভিষেক পোড়েল থাকলে তাঁকেই গ্লাভস হাতে দেখা গিয়েছে বাংলার ম্যাচে। তবে কেরিয়ারের শেষ ম্যাচে তাঁকে কিপিং গ্লাভস হাতে দেখা যাবে, এই ভরসা দিলেন ঋদ্ধি।
নিজের ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে যেমন মুখ খুলেছেন, তেমনই পছন্দের ক্যাপ্টেন-কোচ নিয়েও। দীর্ঘ কেরিয়ারে অনেকের ক্য়াপ্টেন্সিতেই খেলেছেন। তাঁর ভোট কিছুটা হলেও যেন বিরাটের দিকেই বেশি। অবশ্য ঋদ্ধির কথায়, ‘যে যাঁর ক্যাপ্টেন্সিতে খেলেছে, তাঁকেই হয়তো বাছবে। আমি দাদার ক্যাপ্টেন্সি দেখেছি। তবে বিরাটের ক্যাপ্টেন্সিতেই বেশি খেলেছি। মাহি ভাইও দুর্দান্ত ক্যাপ্টেন। আইপিএলে কেন উইলিয়ামসন, জর্জ বেইলিও ঠান্ডা মাথায় অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আর পছন্দের কোচ হিসেবে বলতে পারি, অনিল কুম্বলের কথা। সেই টাইমটায় টিম প্রচুর জিতেছে, আমার ভালো লেগেছে।’