Tips For Bikers: ভাড়া বাইক নিয়ে পাহাড়ে যাওয়ার ইচ্ছা? কত খরচ, কী কী প্রয়োজন জানেন? – Bengali News | Want to go to long drive with a rental bike, know how much it cost
বাইক নিয়ে পাহাড়ে চড়তে ভাল লাগে? কিন্তু কলকাতা থেকে বাইক নিয়ে সিকিম বা নর্থ বেঙ্গল ঘুরতে যাওয়া মুখের কথা নয়। তার উপর অনেকটা সময় সাপেক্ষ। তাই ভাবছেন শিলিগুড়ি ট্রেনে বা প্লেনে চলে গিয়ে সেখান থেকেই বাইক নিয়ে রওনা হবেন? অনেকেই এখন পাহাড়ে বাইক ভাড়া নিয়ে ঘুরতে যেতে চান। কিন্তু কত খরচ, কী কী প্রয়োজন তা জানা আছে কি? কোথায় বা যাবেন? এই প্রতিবেদনে রইল খুঁটিনাটি।
ভাড়া বাইক নিয়ে নর্থ বেঙ্গল বা সিকিম যেতে চাইলে তা আর কলকাতা থেকে ভাড়া নেওয়ার প্রয়োজন নেই। শিলিগুড়িতেই এখন অনেক জায়গায় বাইক রেন্ট সার্ভিসের ব্যবস্থা রয়েছে। খরচ যে খুব বেশি এমন নয়। অফ রোডিং-এর জন্য বাইক, আশেপাশে ঘোরার জন্য স্কুটি পেয়ে যাবেন প্রায় সবই।
কত খরচ পড়ে মোটামুটি?
নর্থ বেঙ্গলের বিভিন্ন বাইক রেন্টাল সার্ভিস থেকে বাইক ভাড়া নিলে দিন প্রতি কত খরচ পড়ে তার একটা আনুমানিক হিসাব রইল। মোটামুটি স্কুটি ভাড়া নিলে দিন প্রতি খরচ পড়ে ৫০০-৮০০ টাকার মধ্যে।
পালসার কিংবা ইয়ামাহার ১৫০-২২০ সিসির ইঞ্জিনের বাইক নিলে তার খরচ পড়ে প্রতি দিন ১০০০-১২০০ টাকার মধ্যে।
রয়্যাল এনফিল্ড ক্লাসিক ৩৫০-এর খরচ ১৩০০-১৪০০ টাকার মধ্যে। রয়্যাল এনফিল্ড হিমালয়ানের খরচ প্রায় ১৫০০-২০০০ টাকা দিন প্রতি। অ্যাভেঞ্জার ২৫০ সিসি ভাড়া নিলে খরচ পড়ে ১২০০-১৩০০ টাকা প্রতি দিন।
কোন কোন নথি প্রয়োজন?
বাইক বা স্কুটি ভাড়া নিতে গেলে ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকাটা কিন্তু বাধ্যতামূলক। এছাড়া সিকিউরিটি মানি বাবদ যেখান থেকে বাইক ভাড়া নিচ্ছেন সেখানে প্রায় ২০০০- ৪০০০ টাকা জমা রাখতে হয়। বাইকের কোনো ক্ষতি না হলে সেই পুরো টাকাই ফেরত পাওয়া যায়। কোথাও কোথাও আইডি প্রুফও জমা দিতে হয়। বেশিরভাগ বাইকে জিপিএস ট্র্যাকার লাগানো থাকে।
কোথায় যেতে পারেন?
কাছাকাছি যাওয়ার প্ল্যান করলে গজলডোবা ঘুরে আসতে পারেন। চা বাগানের মাঝে ছবি তুলতে চাইলে নকশালবাড়ি ঘুরে আসতে পারেন।
এছাড়াও দার্জিলিং, কালিম্পং, লামাহাটা, দাওয়াইপানি, অহলদা়ড়া, সিটং, বিজনবাড়ি, রামধুরা, তাবাকোশি, যেকোনও জায়গাতেই বাইক চড়ে পৌঁছতে পারেন। আর বাইক চালাতে পারদর্শী হলে তো হাত বাড়ালেই সিকিম।
সিল্ক রুটের রাস্তা ধরে এই সময়ে বাইক চালানোর মজাই আলাদা।