Shakib Al Hasan: দেশেই শেষ ম্যাচ খেলতে চান, ‘নীরবতা’র জন্য ক্ষমা চাইলেন সাকিব আল হাসান – Bengali News | Shakib on Bangladesh protests: ‘To those of you who were hurt by my silence, I sincerely apologise’
বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটারদের মধ্যে প্রথম সারিতেই নাম থাকবে সাকিব আল হাসানের। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ব্যক্তি সাকিবকে নিয়ে বাংলাদেশের চিত্রটা পাল্টে গিয়েছিল। অবসরের আগেই রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন। দেশের সাধারণ নির্বাচনে জিতে সাংসদও হয়েছিলেন। বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় সাকিব অবশ্য দেশে ছিলেন না। তবে তিনি মুখ না খোলায় ভক্তরা নানা প্রশ্ন তুলেছিলেন। হাসিনা সরকারের পতনের পরই সাকিবকে আরও নানা বিদ্রুপের সামনে পড়তে হয়। সদ্য ভারতের মাটিতে দু-ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলেছেন। কানপুরে দ্বিতীয় টেস্টের আগে জানিয়ে দেন, অবসর নিতে চলেছেন। তাঁর ইচ্ছে রয়েছে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলেই বিদায় নিতে চান। কিন্তু তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বাংলাদেশেই। বোর্ড এবং অন্তর্বর্তী সরকারও এ বিষয়ে নিশ্চয়তা দেননি। ফলে ধরে নেওয়া হয়, কানপুরেই শেষ টেস্ট খেলে ফেলেছেন সাকিব আল হাসান। তবে সাকিব নতুন করে তাঁর ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। দেশবাসীর কাছে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছেন।
রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক মাশরাফি মোর্তাজাও। তবে ক্রিকেট থেকে অবসরের পর। সাকিব খেলার সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেও নামেন। বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, সাকিব কেন কিছু বলছেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্টে সাকিব লিখেছেন, ‘শুরুতেই আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সে সকল আত্মত্যাগকারী ছাত্রদের, যারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন। তাদের প্রতি এবং তাদের পরিবারের প্রতি আমার অন্তরের অন্তস্তল থেকে শ্রদ্ধা এবং সমবেদনা।’
বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার আরও যোগ করেছেন, ‘সংকটকালীন সময়টাতে আমার সরব উপস্থিতি না থাকায় আপনারা যারা ব্যথিত হয়েছেন বা কষ্ট পেয়েছেন তাদের অনুভূতির জায়গাটার প্রতি আমার শ্রদ্ধা এবং এজন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’ দীর্ঘ পোস্টে তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ারের শেষ ইচ্ছের কথাও তুলে ধরেছেন। সাকিব লিখেছেন, ‘আপনারা জানেন, খুব শীঘ্রই আমি আমার শেষ ম্যাচটি খেলতে যাচ্ছি। আমার ক্রিকেট কেরিয়ারের শুরু থেকে আজকের সাকিব আল হাসান হয়ে ওঠা পর্যন্ত এই পুরো জার্নিটাকে ড্রাইভ করেছেন আপনারা। এই ক্রিকেটের এই গোটা গল্পটা আপনাদের হাতেই লেখা! তাই আমার শেষ ম্যাচে, এই গল্পের শেষ অধ্যায়ে, আমি আপনাদেরকে পাশে চাই। আমি আপনাদের সবাইকে সাথে নিয়ে বিদায় নিতে চাই। বিদায়বেলায়, সেই মানুষগুলোর হাতে হাত রাখতে চাই, যাদের হাতের তালি আমার ভালো খেলতে বাধ্য করেছে। বিদায়বেলায়, সেই মানুষগুলোর চোখে চোখ রাখতে চাই, আমার ভালো খেলায় যাদের চোখ আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়েছে। আবার আমার খারাপ খেলায় যাদের চোখ ছলছল করেছে।’