Upper Primary: পুজোর আগেই চাকরি! ১০ বছরের পুরনো অভিজ্ঞতায় আজও আতঙ্কের ছাপ ওঁদের মুখে – Bengali News | Upper primary Counseling for Higher Primary Recruitment is starting today
চাকরিপ্রার্থীরাImage Credit source: TV9 বাংলা
কলকাতা: প্রায় এক দশক পেরিয়ে গিয়েছে। এবার চাকরির হাতছানি। হাইকোর্টের নির্দেশে পুজোর আগেই উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগের কাউন্সেলিং শুরু হল এসএসসি অফিসে। এর আগে ২ বার ইন্টারভিউ হলেও চাকরি হয়নি। সেক্ষেত্রেও দায় বর্তেছিল এসএসসি-র ঘাড়েই। তাই আজও কাউন্সেলিংয়ে এসে আশঙ্কায় রয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা, আর সে আতঙ্ক তাঁদের চোখেমুখে স্পষ্ট।
উচ্চ প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক নিয়োগে ১৪,৩৩৯টি শূন্যপদের তালিকা ওয়েবসাইটে আপলোড করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। এই নিয়োগের সূত্র ধরতে গেলে পিছিয়ে যেতে হবে বেশ খানিকটা বছর পিছনে। গত বছরে ডিসেম্বর মাসে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে ৮৯৪৫ জন মেধা তালিকায় থাকা প্রার্থীদের কাউন্সিলিং সম্পন্ন হয়েছিল। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশের প্ৰথম ধাপের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর সময়সীমা শেষ হয় ২৫ সেপ্টেম্বর। আবার ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে পুনরায় কাউন্সিলিং হচ্ছে।
২০১৬ সালের উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগ-মামলায় গত ২৮ অগস্ট ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, ১৪০৫২ জন প্রার্থীকে চাকরি দেওয়ার বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে হবে। ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিকাস্ট মেরিট লিস্ট প্রকাশ করতে হবে। ২৩ অক্টোবরের মধ্যে ১৪০৫২ প্রার্থীর কাউন্সিলিং ও সুপারিশ সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি ২১ নভেম্বরের মধ্যেই নিয়োগের বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে হবে।
কমিশন ঘোষিত শূন্যপদ রয়েছে ১৪৩৩৯। যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগের দাবিতে ধর্মতলায় মাতঙ্গিনী হাজরা মূর্তি পাদদেশে অবস্থান ধরনা মঞ্চ ৬৫৬ দিন পেরিয়ে গিয়েছে। উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর ৩ বার, ২০১৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সিঙ্গুরের সভা থেকে, ২০২১ সালের ২১ জুন নবান্নের সভাঘর থেকে, ২০২৩ সালে ৩০ মে নবান্নের সভাঘর চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন।
দীর্ঘদিন ধরে দোলাচলে রয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। এবার হবে তো? এবার হবে তো? এই প্রশ্ন নিয়েই কাউন্সেলিংয়ে এসেছেন উচ্চ প্রাথমিকের চাকরিপ্রার্থীরা। আরাধনা চৌধুরী নামে এক চাকরিপ্রার্থী বলেন, “কেরিয়ার থেকে দশ বছর চলে গিয়েছে। দুবার এসেছিলাম, কাউন্সিলিং হল, কিন্তু… এবার মনে হচ্ছে চাকরি হয়ে যাবে। কারণ আদালত থেকেও নির্দেশ এসেছে।”
সুশান্ত ঘোষ এক আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থী বললেন, “১৪৩৩৯ শূন্যপদে ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর ভ্যাকেন্সি তালিকা প্রকাশ হয়। নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে কাউন্সিলিং হয়। যাঁরা পেয়েছিলেন, তাঁরা স্কুলে গিয়ে দেখেন, সেটা এসসি সংরক্ষিত। বীরভূম জেলার ৬৮০ টি স্কুলের ঠিকানাই ভুল ছিল। এবার স্কুল সার্ভিস কমিশন সংশোধন করতে পারে। আমরা এবার এই জটিলতা থেকে মুক্তি পেতে চাই।”
