'ওই চোখাচোখিটা না আমি কখনও ভুলব না', মনের কথা উজার করে দিলেন পিঙ্কি - Bengali News | Pinky banerjee goes opens up on her relationship with son - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘ওই চোখাচোখিটা না আমি কখনও ভুলব না’, মনের কথা উজার করে দিলেন পিঙ্কি – Bengali News | Pinky banerjee goes opens up on her relationship with son

Spread the love

পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর সংসার এখন ওশকে নিয়ে। কাঞ্চন মল্লিকের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর ঐশকে আগলেই নতুন করে জীবন শুরু করেছেন পিঙ্কি। সম্পর্কের নানা জল্পনা সামনে উঠে এলেও কোথাও গিয়ে পিঙ্কি এখন নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত। আর কোনও বিতর্কে নিজেকে জড়াতে চান না তিনি। দেখতে দেখতে ওশের বয়স ১০ বছর হয়ে গিয়েছে। পরিবারের ঝড় সে কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারছে। পারে। পিঙ্কির কথায়, জীবনে একাধিক ওঠা পড়া লড়াইয়ের মাঝে ওশ তাঁর শক্তি। ওশকে কেন্দ্র করেই তিনি বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। এবারও তাই।

চুপ কর-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মর্মে মুখ খোলেন পিঙ্কি। তাঁকে সঞ্চালিকা প্রশ্ন করেন, জীবনের কঠিন সময় ছেলেকে পাশে পান! উত্তরে পিঙ্কি বলেন, ‘সব সময়। যবে থেকে ও হয়েছে। ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩, ওই মুহূর্তটা আমি কখনই ভুলব না। যাঁরা মা হয়েছেন তাঁরা সকলেই বুঝতে পারবেন। যন্ত্রণা ছাড়া মা হওয়া যায় না। শুয়ে আছি। হঠাৎ করে দেখছি এটা কাঁথায় মোড়া ছোট্ট একটা কী জিনিস আমার গালের কাছে রাখল বিশ্বাস করুন। আমার মাথাটা ওই দিকে তো, আমার চোখটা সরাসরি চলে যায় ওর চোখে। পুরো চোখাচখি হয়। আমার ছেলে বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে আছে। ওই চোখাচোখিটা না আমি জীবনে কখনই ভুলব না। ওর তো মনে থাকার কথা নয়। তবে আমি ওকে বলি, যখন তুই প্রথমবার আমায় দেখেছিলি, তখন দেখেছিলি এমন করে।’

এই খবরটিও পড়ুন

প্রসঙ্গত, কাঞ্চন মল্লিক এবং তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র সন্তানের নাম ওশ। দশ বছর বয়স তাঁর। ক্যালকাটা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ক্লাস ফাইভের ছাত্র সে। ছোট্ট ওশ জানে তার বাবা মাকে ডিভোর্স দিয়েছে জানুয়ারি মাসের ১০ তারিখ। তারপর এটাও জানে ১৪ ফেব্রুয়ারি বাবা বিয়ে করে নিয়েছে তার প্রেমিকা শ্রীময়ী চট্টরাজকে। এই পুরো বিষয়টা অসম্ভব পরিণত মনে মেনে নিয়েছে ওশ। বাবাকে আগেই ক্ষমা করে দিয়েছিল সে। মা পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেছে, “ব্লেস করো বাবাকে”। মায়ের কথাই অক্ষরে অক্ষরে পালন করে ছোট্ট ওশ।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *