Santanu Thakur on CAA: ‘আগামিতে যদি NRC হয়…’, সিএএ কেন, বোঝালেন বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর – Bengali News | Special camp to facilitate applications for CAA certificates in thakurnagar thakurbari said Shantanu Thakur MP from Bongaon
মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। Image Credit source: TV9 Bangla
বনগাঁ: সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট বা সিএএ (CAA) সংক্রান্ত আবেদন করার জন্য ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে। বাগদার উপনির্বাচনের আগে রবিবার মতুয়া সম্মেলনে এসে জানালেন শান্তনু ঠাকুর। বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর বলেন, “মতুয়া মহাসংঘ সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই সার্টিফিকেট যাতে আপনাদের হাতে পৌঁছয়, ঠাকুরবাড়িতে শিবির করে তার ব্যবস্থা করবে। আগামী বুধবার ক্যাম্প হবে। সকলে যেন আবেদন করেন।
গত মার্চে দেশজুড়ে কার্যকর হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ। ২০১৯ সালে সংসদে পাশ হয় এই বিল এবং তা আইনে পরিণত হয়। সিএএ-এর মূল বিষয় হল ২০১৪ সালের মধ্যে পাকিস্তান, আফগানিস্তান কিংবা বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ ও পার্সিদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া। এক্ষেত্রে শর্ত হল, তাঁদের অন্তত পাঁচ বছর ধরে ভারতে বসবাস করতে হবে।
সিএএ নিয়ে প্রথম থেকেই সরব এনডিএ-বিজেপি বিরোধীরা। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবারই বলেছেন, এ দেশে যাঁরা বসবাস করছেন, সকলেই ভারতের নাগরিক। তাই আলাদা করে নাগরিকত্ব দেওয়া বা নেওয়ার প্রশ্নই নেই।
এদিন শান্তনু ঠাকুর বলেন, সিএএ যখন কার্যকর হয়েছে, তার ব্যবহারও করতে হবে। তিনি জানান, এই সার্টিফিকেট না এলে কোনও নথি থাকছে না। আর সেই নথি না থাকলে কোন সমস্যা হতে পারে, তাও এদিনের বাগদা ব্লক মতুয়া মহাসংঘের অনুষ্ঠানে ব্যাখ্যা করেন বনগাঁর সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী।
শান্তনু ঠাকুর বলেন, “এটা না থাকলে কী সমস্যা আসতে পারে আজ প্রকাশ্যে বলি। আগামিতে ভারতবর্ষে যদি এনআরসি হয়, তাহলে আপনার কাছে সরকারের আইন অনুসারে সার্টিফিকেট আছে, থাকবে। আপনাকে এনআরসিতে বের করা সম্ভব নয়। তাই মতুয়ারা কখনওই এনআরসির আওতায় আসবে না। কারণ তাঁরা অ্যাপ্লিকেশন করে সার্টিফিকেট পাওয়া লোক। ভারত সরকার সংবিধানের মাধ্যমে তাঁদের সার্টিফিকেট দিয়েছে বা আগামিতে দেবে। চলতে থাকবে। তাই খুব অবহেলা করবেন না। এই যে রাজনৈতিক দলগুলি উল্টোপাল্টা বোঝায় সেগুলো আপনারা শুনবেন না।” প্রসঙ্গত, সিএএ নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। অন্যদিকে এনআরসি জাতীয় নাগরিকপঞ্জি। এটি হল ভারতের বৈধ নাগরিক শনাক্তকরণের পদ্ধতি, যা আপাতত শুধুমাত্র অসমেই হয়েছে।