Tarapith: ভক্তকে দেখা দিতে রথে চড়ে ঘুরবেন মা তারা, এভাবেই রথযাত্রা হয় তারাপীঠে – Bengali News | Rathyatra preparation in tarapith birbhum
রথের দিন ভক্তের সঙ্গে দেখা করতে বেরোন মা তারা।
বীরভূম: রবিবার রথযাত্রা। রথে চেপে এদিন মাসির বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয় জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রা। আর এদিনই তারাপীঠে দেখা যায় অন্য ছবি। প্রাচীন রীতি মেনে এদিন তারাপীঠের তারা রথে চেপে তারাপীঠ ভ্রমণে বেরোন। বছরের দু’ দিন ভক্তকে দেখা দিতে স্বয়ং মা তারা বেরিয়ে আসেন গর্ভগৃহ থেকে। তারই একটি রথযাত্রার দিন। েহাজার হাজার মানুষ এই দিনটা তারাপীঠে ভিড় জমান। শনিবার রথযাত্রার শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি দেখা গিয়েছে তারাপীঠে।
তারাপীঠে মা তারা যেহেতু অধিষ্ঠাত্রী, তাই এখানে তাকেই নানা রূপে পুজো করা হয়। এখানে সর্ব দেবদেবী রূপেই পূজিত হয় তারা। বছরের দু’দিন মা তারাকে মূল মন্দির থেকে বের করা হয়। শুক্লা চতুর্দশীর দিন আবির্ভাব দিবসে ও রথযাত্রার দিন। রথযাত্রার দিন রথে চেপে তারাপীঠে প্রদক্ষিণ করেন তিনি।
তারাপীঠের ইতিহাস বলে, আনুমানিক ১৭৮০ সালে নাটোরের রানি ভবানীর দত্তকপুত্র রাজা রামকৃষ্ণ তারাপীঠে রথের প্রচলন করেছিলেন। পরবর্তীকালে কলকাতার আশালতা সাধুখাঁ নামে এক ভক্ত রথঘর নির্মাণ করেন। প্রথমে কাঠের একটি রথে মা তারাকে বসিয়ে তারাপীঠে ঘোরানো হতো। সে সময় অবশ্য গ্রামের নাম ছিল চণ্ডীপুর। সেই সময় রথের রশিতে টান দিতে স্থানীয় মানুষ ছাড়াও আশপাশের বাসিন্দারা ভিড় করতেন।
তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, “রথ সাজানো হবে ফুলের সাজে। দুপুর ৩টের সময় মাকে আনা হবে এই রথে। তারপর তারাপীঠ পরিক্রমা করবেন মা। ৩টে থেকে ৬টা। ভক্তরা দেখতে পাবেন মা তারাপীঠ পরিক্রমা করছেন। হাজার হাজার মানুষ আসবেন। তারও আলাদা প্রস্তুতি আছে। পুলিশ, মন্দির কমিটি সকলে একসঙ্গে দেখবে সেটা। রথের দিন মা যান ভক্তের কাছে। এই মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী থাকার সুযোগ কেউ ছাড়তে চান না।”