Mohun Bagan: প্রাক্তনরাই কাঁটা, শিল্টন-কিংশুকদের কাছেই আটকে গেল মোহনবাগান – Bengali News | Calcutta football league Mohun Bagan failed to register to their first win in CFL
ব্যারাকপুর: কলকাতা লিগে ফের আটকে গেল মোহনবাগান। নতুন কোচ এসে বাগানের ভাগ্য পাল্টাতে পারলেন না এখনও। ঘরোয়া লিগে গত বছরও ব্যর্থতা নিয়ে শেষ করেছিল সবুজ-মেরুন। এ বছর লিগের প্রথম দুটো ম্যাচেই হোঁচট খেল গঙ্গা পারের ক্লাব। ১৩ তারিখের বড় ম্যাচের আগে বেশ চাপে পড়েছে গেল মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচে ভবানীপুরের সঙ্গে ১-১ ড্র করে মোহনবাগান। শনিবার ব্যারাকপুরে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় স্টেডিয়ামে রেনবোর বিরুদ্ধে ২৬ মিনিটে ২-০ এগিয়ে গিয়েও জয় অধরা থাকল। প্রথমার্ধেই ম্যাচ ২-২ করে ফেলে রেনবো।
খেলার ১৪ মিনিটে সুহেল ভাটের গোলে ১-০ এগিয়ে যায় মোহনবাগান। কর্নার থেকে ফলো আপ সেন্টারে হেডে গোল করেন সুহেল। ২৬ মিনিটে আরও একটি গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন কাশ্মীরের ফুটবলার। সেন্টার থেকে হেডে গোল করেন সুহেল। গোল পরিশোধের লক্ষ্যে ঝাঁপায় রেনবো। ব্যারাকপুরে খেলা হওয়ায় গ্যালারিতেও মধ্যমগ্রামের দলটির প্রচুর সমর্থক দেখা যায়। ৪৪ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে দুরন্ত গোল করে ব্যবধান কমান রেনবোর অধিনায়ক সৌরভ দাশগুপ্ত। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে রেনবোর এক ফুটবলারকে বক্সে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় তারা। সেখান থেকে স্কোরলাইন ২-২ করেন রাজন বর্মন।
শিল্টন পাল, কিংশুক দেবনাথ, পঙ্কজ মৌলাদের মতো মোহনবাগানে খেলে যাওয়া ফুটবলাররা ছিলেন রেনবোতে। বাগানের প্রাক্তনীরাই কাঁটা হয়ে দাঁড়ালেন শনিবারের ম্যাচে। খেলার পর শিল্টন বললেন, ‘ভেবেছিলাম আর খেলব না। রেনবো কর্তাদের একপ্রকার জোরাজুরিতেই এ বছর মাঠে নামলাম। হয়তো এটাই শেষ বছর। মোহনবাগান ছাড়ার পর সবুজ-মেরুন জার্সির বিপক্ষে প্রথম বার খেললাম। আজও গ্যালারিতে এত সমর্থক দেখে তেতে উঠি। তবে ম্যাচটা আমরা জিততেও পারতাম। রেফারি আমাদের একটি নিশ্চিত পেনাল্টি দেননি। আইএফএ-র উচিত বাংলার রেফারিদের নিয়ে ভাবা।’ ২ ম্যাচে মোহনবাগানের ঝুলিতে এখন ২ পয়েন্ট। বড় ম্যাচের আগে অনেকটাই চাপ বাড়ল ডেগি কার্ডোজোর দলের।