Rishi Sunak: ‘ধর্মই আমায়…’, প্রচারের শেষ পর্বে হিন্দুত্বই ভরসা ঋষি সুনকের – Bengali News | Rishi Sunak says, Hindu dharma guides his approach as prime minister
অক্ষরধাম মন্দিরের সাধুদের সঙ্গে ঋষি সুনকImage Credit source: PTI
লন্ডন: কোনও নতুন কাজ করার অনুপ্রেরণা, কিংবা শোকের মুহূর্তে সান্ত্বনা – সবই তিনি পান হিন্দু ধর্ম থেকেই। সাফ জানিয়ে দিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। ৪ জুলাই, অর্থাৎ, ৪দিন বাদেই ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে মোটেই ভাল অবস্থায় নেই ঋষি সুনকের কনজারভেটিভ পার্টি। তিনিই এবার দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কিন্তু, এবারের নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টির ফল সবথেকে খারাপ হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে, শনিবার (২৯ জুন), নির্বাচনী প্রচারের শেষে স্ত্রী অক্ষতা মূর্তিকে নিয়ে লন্ডনের ‘বাপস স্বামীনারায়ণ মন্দিরে’ পুজো দিতে এসেছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। আর এই মন্দিরে এসে তাঁর হিন্দু ধর্মবিশ্বাস নিয়ে মুখ খুললেন ঋষি সুনক।
ঋষি সুনক আরও জানান, হিন্দু ধর্ম দায়িত্ব পালনের শিক্ষা দেয়। তিনি বলেন, “আমি একজন হিন্দু। আর আপনাদের সকলের মতোই আমিও ধর্ম থেকেই অনুপ্রেরণা এবং স্বান্ত্বনা পাই। ভগবদ্গীতা হাতে সাংসদ হিসেবে শপথ নিতে পেরে আমি গর্বিত। আমাদের ধর্ম আমাদের দায়িত্ব পালন করতে শেখায় এবং যতক্ষণ পর্যন্ত কেউ তা বিশ্বস্ততার সঙ্গে করে, ততক্ষণ সে ফল নিয়ে মাথা ঘামায় না। আমার স্নেহশীল বাবা-মা আমায় এই বিশ্বাস নিয়েই বড় করেছেন, আর এভাবেই আমি যাপন করি। আমি আমার মেয়েদেরও এই শিক্ষাই দিতে চাই। জনসেবা করার ক্ষেত্রেও আমায় পথ দেখায় ধর্মই।”
লন্ডনের অক্ষরধাম মন্দিরে সস্ত্রীক সুনক
ঋষি সুনকের স্ত্রী অক্ষতা মূর্তির বাবা, ভারতীয় আইটি সংস্থা ইনফোসিসেসর সহ-প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তি। নির্বাচনর আগে চর্চা চলছে ইনফোসিসের শেয়ার থেকে অক্ষতা মূর্তির আয় নিয়ে। এরই মধ্যে স্ত্রীর পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছেন সুনক। তিনি বলেছেন, স্বামী হিসেবে তাঁর জন্য তাঁর স্ত্রীয়ের সমর্থন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ। স্ত্রীকে তিনি জনসেবায় প্রতশ্রুতিবদ্ধ বলেও শংসা দিয়েছেন। মন্দিরে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের উদ্দেশে ঋষি সুনক বলেন, “আপনাদের সমর্থন, আপনাদের প্রার্থনা এবং আপনাদের ভালবাসার জন্য আমি আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আপনারা প্রতিটি ক্ষেত্রে আমার সঙ্গে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সবথেকে কঠিন দিনগুলোতে আমি আপনাদের পাশে পেয়েছি। আমি জানি একজন ব্রিটিশ-এশিয় প্রধানমন্ত্রী পেয়ে আপনারা গর্বিত। আমি আপনাদের কখনই হতাশ করব না।”