Sleep disorder: চোখ যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ছে দিন শেষের আগেই, কী করতে হবে তখন? - Bengali News | Doctors reveal the things you should NEVER do to treat insomnia - 24 Ghanta Bangla News
Home

Sleep disorder: চোখ যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ছে দিন শেষের আগেই, কী করতে হবে তখন? – Bengali News | Doctors reveal the things you should NEVER do to treat insomnia

Spread the love

আজকাল কাজের চাপ এবং মানসিক চাপ এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে স্বাভাবিক জীবন বিপর্যস্ত। শুধু ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালান্স নষ্ট যাওয়ার কারণেই দৈনন্দিনের লাইফস্টাইলে প্রভাব পড়ছে সকলের (এক্ষেত্রে সকল বলতে মূলত বোঝানো হচ্ছে পেশাদারদের কথা)। আর যারা কর্মজীবনে প্রবেশ করেননি এখনও? তাদের খাদ্যাভ্যাস, রাতে জেগে থাকা, মোবাইলের স্ক্রিনের প্রতি ক্রমাগত বাড়তে থাকা আসক্তি ডেকে আনছে বিপদ এবং এক অনন্ত ক্লান্তি। সুস্থ থাকতে যে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমের প্রয়োজন রয়েছে ভীষণ, এবং সেই সঙ্গে বিশ্রামের, একথা সকলেই জানেন । এরপরও সেই সুযোগ মিলছে কই!

নিয়মিত স্ট্রেস, ঘুম কম হওয়া, ডিপ্রেশন… একের পর এক লাইফস্টাইল সমস্যা এবং মানসিক সমস্যার সঙ্গে আমরা প্রতিনিয়ত লড়াই করে চলেছি। বর্তমানে ঘুম হয় না বা ঘুম কম হয়, এমন অভিযোগ প্রায় সকলের। ছোট থেকে বড় সকলেই ভুগছে এই কম ঘুমের সমস্যায়। সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনির পরও বিছানায় শুয়ে ঘুম আসে না, কিছুতেই চোখের দু’পাতা এক করতে পারেন না, এমন মানুষ এখন সংখ্যায় সবথেকে বেশি।

স্মার্টফোন, কাজের চাপ, অতিরিক্ত পরিমাণ কফি খাওয়া এসব কম ঘুমের অন্যতম কারণ। এছাড়াও আরও অন্যান্য কিছি অভ্যাস তো আছেই। ঘুম না আসলে অনেকেই ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমনোর চেষ্টা করেন। সম্প্রতি স্লিপওয়েভ সংস্থার তরফে একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। আর সেখানেই দেখা গিয়েছে, বিশ্বজুড়ে অন্তত ৭ কোটিরও বেশি মানুষ সপ্তাহে অন্তত দু’বার খুব বেশি করে ক্লান্ত বোধ করছেন। সেই সঙ্গে ঘুমের সমস্যা তো আছেই। অধিকাংশ সময় এই না ঘুম হওয়ার আরেকটা কারণ হল ঘড়ি। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বার বার সময় দেখলেও ঘুম কম আসে। রাতে ঘুম না হলে দিনে সেই ঘুম পুষিয়ে নেবেন, এই সুযোগ খুব কম মানুষের ক্ষেত্রে থাকে। আর তাই হাত-পায়ের আগে চোখ বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। একটানা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকা, নির্ধারিত সময়ের বাইরে গিয়ে কাজ করায় চোখের উপর চাপ বাড়ছে। চোখের উপর চাপ পড়লে সেখান থেকে শারীরিক আর মানসিক অবসাদও আসে।

আর তাই চোখকে বিশ্রাম দিতে হবেই। স্ক্রিন টাইম যেভাবে হোক কমাতে হবে। প্রয়োজনে কাজের সময়সীমা বেঁধে দিন। সেই সময়ের পর আর ল্যাপটপের দিকে তাকাবেনই না। কাজের ফাঁকে কিছু সময় চোখ ঢেকে রাখুন। একই সঙ্গে মনকে শিথিল করারও প্রয়োজন আছে।

আবছা আলোতে কোনও কিছু পড়বেন না। রাতে ঘুমনোর সময় আলো জ্বালিয়ে রাখবেন না। ফ্লুরোসেন্ট আলো বাড়ির কোথাও রাখবেন না। এতে চোখের উপর অনেক বেশি চাপ পড়ে। চোখের উপর জোরাল আলো পড়লে চোখে ব্যথা হয়, দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়। আর তাই চোখের স্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত কিছু যোগব্যায়াম করুন। রোজকার রুটিনে শরীরচর্যা, যোগা এসব অবশ্যই আসবে।

এছাড়াও আরও যা কিছু মেনে চলতে হবে-

ঘুমোতে যাওয়ার ঠিক আগে বই পড়া
ঘুমনোর ঠিক আগে ইষদুষ্ণ একগ্লাস দুধ খাওয়া
যাবতীয় ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে দূরে থাকা
ঘুমোতে যাওয়ার আগে ফোন কোনও ভাবেই ঘাঁটবেন না

ঘুম না হলে সেখান থেকে ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, বিষন্নতা এসব জাঁকিয়ে বসে। আসলে কম ঘুমিয়ে কাজ করা অথবা বেশি রাত পর্যন্ত জেগে থাকাকে দীর্ঘদিন ধরেই জাঁকিয়ে প্রোমোট করা হয়, ঠিক যেমন সিনেমা-সিরিজ় রিলিজ়ের আগে তার বিপণন হয়। অথচ পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজনীয়তা কেন এবং কতটা, কম ঘুমের দীর্ঘ অভ্যাসের ফলে কী-কী ভয়াবহ রোগ (শারীরিক ও মানসিক) হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয় না সেভাবে প্রায় কখনওই। যদিও সেই আলোচনা অবশ্যই হওয়া প্রয়োজন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *