Gautam Gambhir: কিছু হতে চাইলে কখনও হাল ছেড়ো না… কলকাতায় এসে গুরুমন্ত্র দিয়ে গেলেন গম্ভীর – Bengali News | Gautam Gambhir narrates how to get success in life before he appointed Indian Head Coach
Gautam Gambhir: কিছু হতে চাইলে কখনও হাল ছেড়ো না… কলকাতায় এসে গুরুমন্ত্র দিয়ে গেলেন গম্ভীরImage Credit source: X
কলকাতা: প্রায় একমাস পর পা দিলেন কলকাতায়। কেকেআরকে চ্যাম্পিয়ন করার পর যদি আসতেন, তাঁর জন্য তৈরি থাকত মঞ্চ। সারা শহর ঝাঁপিয়ে পড়ত তাঁকে ছোঁয়ার জন্য। সে সব না থাকলেও গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir) চেনা মেজাজেই ধরা দিলেন। ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের ইয়ং লিডার্স ফোরামের অনুষ্ঠিত ‘রাইজ টু লিডারশিপ উইথ গৌতম গম্ভীর’এ হাজির ছিলেন তিনি। সেখানেই গম্ভীর মন খুললেন। অনেক অজানা গল্প তুলে ধরলেন। বলা যেতেই পারে, ভারতের কোচ হওয়ার আগে খোলা মেজাজে দেখা গেল কেকেআরের মেন্টারকে। কী বললেন তিনি, তুলে ধরল টিভি নাইন।
আর্মির স্বপ্ন…
ছোটবেলা থেকে আর্মিতে যোগ দেওয়ার স্বপ্ন ছিল। সেনাবাহিনীর পোশাক আমাকে ভীষণ। ব্যবসায়ী পরিবারের ছেলে হয়ে কিভাবে আর্মিতে যোগ দিতে পারি, অনেকে প্রশ্ন করত। দেশের জন্য কিছু করতে চেয়েছি সব সময়। সেই ইচ্ছে থেকেই ক্রিকেটকে বেছে নেওয়া। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হওয়ার জন্য কখনও খেলিনি। দেশকে জেতানোর জন্য খেলেছি। দেশকে জেতালে দেশবাসীর কাছে সেরা হতে পারব।
দেশের হয়ে খেলতে হলে…
স্কিল আর মেন্টাল টাফনেস দুটোই খুব জরুরি। বিশেষ করে যখন তুমি দেশের হয়ে খেলছ। যা রান বা রেকর্ড করেছি, তা আমার কাছে কখনও ম্যাটার করেনি।
কেকেআরে সৌরভের জুতোয় পা গলানো…
এরকম কোনও দিন ভাবিনি। আমি কারও জুতোয় পা গলাতে আসিনি। প্রথম দিন থেকে কলকাতার মানুষ আমাকে আপন করে নিয়েছিল। ২০১১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত কখনও মনে হয়নি এটা আলাদা শহর, আমার নয়। বরং বলব, আমার প্রিয় শহর কলকাতা। এই শহর আমাকে নিজের হতে সাহায্য করেছে।
নিজের গুরু…
আমি জীবনে একজনকেই গুরু মানি। তাঁকেই পুজো করি। তিনি ভগৎ সিং।
আইপিএলের সেরা মালিক…
শাহরুখ খান আইপিএলের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ কর্ণধার।
গুরুমন্ত্র…
মেন্টর কিংবা লিডার হিসেবে কখনও কখনও কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। গুরুমন্ত্র একটাই, টিম সব কিছুর আগে। ব্যক্তির চেয়েও দল বড়। একজন বা দু’জনের জন্য টিম নয়। প্রথম দিন থেকেই আমার লক্ষ্য ছিল কলকাতাকে চ্যাম্পিয়ন করা। যে কারণে দলকে প্রাধান্য দিয়েছি সব কিছুর আগে।
দেশের নেতৃত্ব…
আমার কাজ ছিল বল হিট করা। যে খেলাধুলাকে বেছে নেয়, সে শুধু দেশের হয়ে পারফর্ম করার কথা ভাবে। ক্যাপ্টেন্সি করার কথা কখনও ভাবিনি। যা করেছি, তার জন্য কৃতজ্ঞ।
ইগো…
ইগো ম্যাটার করে না। সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কখনও ভয় পাই না। এটাই আমার জীবনের মন্ত্র। উদ্দেশ্য যদি সঠিক হয়, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। কেউ যদি ইগোর কথা বলে, সেটা আমার ম্যান ম্যানেজমেন্ট। আমি প্রতিষ্ঠানের উন্নতির কথা সব সময় ভাবি। কী ভাবে দলের মধ্যে থেকে সেরাটা বার করব, সেটাই ম্যান ম্যানেজমেন্টের প্রধান দায়িত্ব।
হাল ছেড়ো না বন্ধু…
কখনও হাল ছাড়লে চলবে না। জীবনের সবচেয়ে সহজ জিনিসই হল হাল ছেড়ে দেওয়া। ২০০৭ সালে দল থেকে বাদ পড়ার পর অনেক কিছু শিখেছি। নিজের উপর বিশ্বাস রাখতে হয়, হাল ছাড়তে নেই। তাহলে সব কিছু অ্যাচিভ করা সম্ভব।
রাজনীতি…
ভালো মানুষরাই রাজনীতিতে আসে। অনেকেই আসতে চায় না। কে আসবে তাহলে এখানে? সুযোগ পেলে এবং ভালো উদ্দেশ্য থাকলে অবশ্যই রাজনীতিতে এসো। যদি কিছু বদল করতে চাও, দেশের জন্য কাজ করতে চাও অবশ্যই রাজনীতিতে এসো।