অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে কাশি কমছে না? এই ৪ পানীয়তে চুমুক দিলে জমে থাকা কফ বেরিয়ে যাবে – Bengali News | 4 Homemade remedies or drinks to heal seasonal cold and congestion
তাপমাত্রা বাড়ছে। আর এতেই অধিকাংশ বাঙালি জ্বরে পড়ছে। বাসে-ট্রেনে সবাই কেশে চলেছেন। গলায় জমে যাচ্ছে কফ। নিঃশ্বাস নিতেও সমস্যা হচ্ছে। সর্দি-কাশির সমস্যা ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সাধারণ। কিন্তু এখন যে হারে গলা ব্যথা, কাশিতে কষ্ট পাচ্ছেন, তাতে চুপচাপ বসে থাকা উচিত নয়। যদি সহজে সর্দি-কাশির সমস্যা না কমে, তখন অ্যান্টি-বায়োটিকের সাহায্য নিতেই হবে। তবে, অ্যান্টি-বায়োটিক খেলেও সর্দি-কাশি কমতে বেশ সময় লেগে যায়। এই অবস্থায় কাজে আসে ঘরোয়া টোটকা। কাশি, গলা ব্যথা, বুকে কফ জমে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো বেশ ভোগায়। এই সমস্যাগুলোর চিকিৎসায় আপনি ঘরোয়া টোটকার সাহায্য নিতে পারেন। এতে মিউকাস তৈরিও প্রতিরোধ করতে পারেন। কী উপায়ে সর্দি-কাশি দূর করবেন, রইল টিপস।
মুলেঠি চা: দিনে দু’বার মুলেঠির চা পান করুন। গরম জলের সঙ্গে মুলেঠির শিকড় ও ১/২ ইঞ্চি আদা গ্রেট করে মিশিয়ে দিন। এই জলটা ফুটিয়ে নিয়ে পান করুন। স্বাদের জন্য এতে মধু মেশাতে পারেন।
মধু ও লেবু চা: এই ঘরোয়া টোটকা যেমন প্রাচীন, তেমনই কার্যকর। সর্দি-কাশির সমস্যায় দিনে ৩ বার মধু ও লেবুর চা পান করলে দারুণ উপকার পাবেন। গরম জলে বা লিকার চায়ে ২ চামচ মধু এবং অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। মধুর মধ্যে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান রয়েছে এবং লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
এই খবরটিও পড়ুন
হলদি-দুধ: হলুদের মধ্যে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান রয়েছে, যা গলা ব্যথা কমাতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এক গ্লাস গরম দুধে এক চিমটে হলুদ গুঁড়ো, গোলমরিচের গুঁড়ো ও মধু মিশিয়ে পান করুন।
আদা চা: আদার মতো কার্যকর ভেষজ উপাদান, হেঁশেলে খুব কম রয়েছে। কাশি হলে মুখে এক টুকরো আদা ফেলে রাখুন। এটি গলা ব্যথা, গলা খুশখুশের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। গরম জল বা চায়ের সঙ্গে আদা থেঁতো করে ফুটিয়ে নিন। এতে তুলসি পাতা ও গোলমরিচের গুঁড়োও মিশিয়ে দিন। এই চায়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে। এটি গলার সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। পাশাপাশি বুকে জমে থাকা কফ পরিষ্কার করে দেবে। এই চায়ে আপনি লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করলে ভাল ফল পাবেন।