বিয়ের আগে জয়ার সঙ্গে কীসের পরিকল্পনা করেন অমিতাভ? বাধা দেন বাবা... - Bengali News | Is what amitabh bachchan wanted to do with jaya bachchan before marriage - 24 Ghanta Bangla News
Home

বিয়ের আগে জয়ার সঙ্গে কীসের পরিকল্পনা করেন অমিতাভ? বাধা দেন বাবা… – Bengali News | Is what amitabh bachchan wanted to do with jaya bachchan before marriage

Spread the love

পুনে ফিল্ম ইনস্টিটিউটে (এফটিআইআই) থেকে অভিনয় নিয়ে লেখাপড়া করেছেন অভিনেত্রী জয়া বচ্চন। বাংলা এবং হিন্দি ফিল্ম ইনস্টিটিউটে তাঁর অভিনয় ছাপ ফেলতে শুরু করে গোড়া থেকেই। অমিতাভের সঙ্গে হিন্দি ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে বন্ধুত্ব হয় জয়ার। দুই তারকার মধ্যে গড়ে উঠেছিল সুসম্পর্কও। জয়াকে সঙ্গে নিয়ে নাকি বন্ধুদের সঙ্গে লন্ডনে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন অমিতাভ। কথাটি বাড়িতে জানাতেই রেরে করে ওঠেন অমিতাভের বাবা বিখ্যাত কবি হরিবংশ রাই বচ্চন। অমিতাভের লন্ডনে যাওয়ার সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়ে বলেছিলেন, “জয়ার সঙ্গে লন্ডনে বেড়াতে যেতে হলে তাঁকে বিয়ে করেই যেতে হবে তোমাকে।”

প্লেনের টিকিট কাটা, হোটেল বুক করা হয়ে গিয়েছিল অমিতাভের। বন্ধুদের সঙ্গে তৈরি হয়ে গিয়েছে আইটিনারিও (কোনদিন কোথায় বেড়াতে যাবেন, সেই তালিকা)। সব জেনেশুনে অমিতাভের বাবা কবি হরিবংশ রাই বচ্চন বাধা দিয়েছিলেন। অমিতাভকে কাছে ডেকে স্পষ্ট করে বলে দিয়েছিলেন, “তুমি যদি জয়াকে নিয়ে লন্ডনে বেড়াতে যাও, তা হলে এমনই-এমনই যেতে পারবে না। তোমাকে তার আগে জয়াকে বিয়ে করতে হবে।” এই বলে বিগ বি-র উপর শর্ত চাপিয়ে দিয়েছিলেন হরিবংশ।

এই খবরটিও পড়ুন

চিরটাকালই বাবার বাধ্য পুত্র ছিলেন অমিতাভ। বাবা কষ্ট পাবেন, এমন কোনও কাজই তিনি করতেন না। বিয়েটা কোনও না-কোনওদিন করতেই হত জয়াকে। ফলে লন্ডনে যাওয়ার ঠিক আগেই চার হাত এক হল জয়া-অমিতাভের। তারপর সুটকেস গুছিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে হইহই করতে-করতে লন্ডন গেলেন অমিতাভ-জয়া। সম্প্রতি পালিত হয়েছে অমিতাভ-জয়ার বিবাহবার্ষিকী। অনেকগুলো বছর একসঙ্গে কাটিয়ে দিয়েছেন অমিতাভ-জয়া। তাঁদের পারস্পরিক সম্মানই সম্পর্কের আসল রসদ। স্ত্রীকে ভয়ও পান অমিতাভ। তারকা দম্পতির পুত্র অভিষেকই একবার ‘কৌন বানেগা ক্রোড়পতি’র বিশেষ এপিসোডে এসে সেই সত্য ফাঁস করে দিয়েছিলেন সকলের সামনে। অমিতাভ নিজের মুখেই বলেছিলেন তিনি জয়াকেই সবচেয়ে বেশি ডরান।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *