Cyclone: যেন ১০০টা হাইড্রোজেন বোমা! ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আঁতকে ওঠা তথ্য IMD-র – Bengali News | A mature cyclone releases energy equivalent to that of 100 hydrogen bombs: IMD
ঘূর্ণিঝড়ে রয়েছে ১০০ হাইড্রোজেন বোমার শক্তিImage Credit source: Twitter
নয়া দিল্লি: আরও একটা মে মাস। আরও একবার চোখ রাঙাচ্ছে ঘুর্ণিঝড়। আম্ফান, ইয়াসের স্মৃতি উসকে আসছে রেমাল। শনিবার রাতেই, নিম্নচাপ থেকে ঘুর্ণিঝড়ের রূপ নিয়েছে রেমাল। রবিবার রাতে, সুন্দরবনের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় আছড়ে পড়ার কথা এই ঘূর্ণিঝড়ের। চরম ক্ষতির আশঙ্কায় কাঁপছে দুই বাংলা। এরই মধ্যে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ দিল এক ভয় ধরানো তথ্য। এত যে ক্ষতিকরে ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোন, তার শক্তি কতটা জানেন? আবহাওয়া বিভাগ বলছে, ১০০টি হাইড্রোজেন বোমার সমান।
ঘূর্ণিঝড় রেমাল আছড়ে পড়ার আগেই, ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বা ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে বেশ কিছু প্রশ্নের জবাব দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ। তারা বলেছে, সাইক্লোনকে ‘হিট ইঞ্জিনে’র সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। গ্রীষ্মমন্ডলীয় এলাকার মহাসাগরগুলির উষ্ণ জল এবং তার উপরে থাকা আর্দ্র বাতাস থেকেই শক্তি সংগ্রহ করে ঘূর্ণিঝড়গুলি। জলীয় বাষ্প ঘনিভূত হয়ে জলের ফোঁটা বা বৃষ্টি তৈরি হয়। আর এর মাধ্যমে ওই শক্তি মুক্ত হয়। এই শক্তির খুব ছোট একটা অংশ (৩%) গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। যা ঘূর্ণিঝড়ের উইন্ডফিল্ডকে বজায় রাখে। আর এভাবেই পরিণত ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে শক্তি তৈরি হয়। এই শক্তি ১০০টি হাইড্রোজেন বোমার শক্তির সমান হতে পারে।
হাইড্রোজেন বোমাগুলি দ্বিতীয় প্রজন্মের পারমাণবিক অস্ত্র। অর্থাৎ, হিরোশিমা-নাগাসাকিতে যে বোমাগুলি ফেলেছিল আমেরিকা, সেগুলির তুলনায় আকারে ছোট, ওজনে কম কিন্তু এর ধ্বংসের ক্ষমতা অনেক গুণে বেশি। ১৯৫২ সালের ১ নভেম্বর, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে হাইড্রোজেন বোমা বোমা পরীক্ষা করেছিল। পরের বছর এই বোমা পরীক্ষা করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। এছাড়া, হাইড্রোজেন বোমা আছে ব্রিটেন, চিন এবং ফ্রান্সের হাতে।
অবস্থানগত কারণে বিশ্বের অন্যান্য অংশের তুলনায় বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় বেশি হয়। এখনও পর্যন্ত এই অঞ্চল যতগুলি ঘূর্ণিঝড়ের সাক্ষী হয়েছে, তার মধ্যে সবথেকে বেশি প্রাণহানি হয়েছিল ১৯৭০ সালের কুখ্যাত বাংলাদেশ ঘূর্ণিঝড়ে। ঠিক কত মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, তার কোনও সরকারি পরিসংখ্যান নেই। তবে, অন্তত ৩ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, এটা নিশ্চিত।