World Bank Report: মহিলাদের হাতেই বৃদ্ধির হার! আমূল বদলাতে পারে অর্থনীতি, বিশ্বব্যাঙ্কের রিপোর্ট – Bengali News | Growth rate in the hands of women, The economy may change radically, says the World Bank report
কলকাতা: মহিলারা কেমন আছেন। এনিয়ে প্রচুর কথা হয়। লেখালিখি হয়। আমরা আলোচনা করি। কিন্তু, অবস্থার খুব একটা পরিবর্তন হয় কী? অনেকেরই মত, মহিলাদের অবস্থা যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই রয়ে যায়। বিশ্বব্যাঙ্ক সারা দুনিয়ার মহিলাদের নিয়ে একটা রিপোর্ট বের করেছে। প্রায় একশো নব্বইটা দেশে সমীক্ষা হয়েছে। খুব ইন-ডেপথ কাজ হয়েছে বলতে পারেন। বড় রিপোর্ট। সমীক্ষায় উঠে এসেছে মহিলাদের প্রতি বৈষম্য শুধুই অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশের ফেনোমেনা। এমনটা মোটেই নয়। উন্নত দেশগুলোতেও লিঙ্গ বৈষম্য় রয়েছে ১৬ আনা। কোথাও পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য সমান আইনি সুরক্ষা নেই। কোথাও বা আবার আইনে সমতা থাকলেও বাস্তবে নেই। নানারকমের সোশ্যাল সিস্টেম মহিলাদের পিছনে ঠেলে দিচ্ছে। নানারকম বৈপরীত্য রয়েছে।
একটা উদাহরণ দিলেই ব্যাপারটা বোঝা যাবে। ভারত-সহ নানা দেশে মহিলাদের কারখানায় কাজ বা রাতে কাজ করানোর ক্ষেত্রে কিছু বাধ্যবাধকতা আছে। মেয়েদের সুরক্ষার জন্যই এসব আইন করা হয়েছে। আর এই আইনের জন্যই আবার ওয়ার্ক ফোর্সে মহিলাদের পার্টিসিপেশন কমে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাঙ্ক বলছে, মহিলারা যদি অবাধে ঘরের বাইরে কাজ করার সুযোগ পান। তাহলে সারা দুনিয়ার জিডিপি ২০ শতাংশ বেড়ে যাবে। সন্তান জন্মানোর পর তাকে বড় করে তোলার জন্য মহিলারা যতটা সময় দেন। ততটা সময় যদি পুরুষরাও একইভাবে দিতেন তাহলে ওয়ার্ক ফোর্সে পুরুষের যোগদান কমত না। উল্টে মহিলাদের যোগদান ১ শতাংশ বেড়ে যেত। বলছে বিশ্বব্যাঙ্কের রিপোর্ট।
এই খবরটিও পড়ুন
রিপোর্ট বলছে, পুরুষেরা যতটা আইনি সুরক্ষা পান, সব দেশের হিসাবে মহিলারা পান তার মাত্র ৬৫ শতাংশ। সমান কাজে একজন পুরুষ ১ টাকা আয় করলে মহিলাদের আয় ৭৭ পয়সা। পুরুষদের তুলনায় মহিলারা আগে কাজ থেকে অবসর নেন। কিন্তু, তাঁরা ছেলেদের তুলনায় বেশিদিন বাঁচেন। ফলে আর্থিক সমস্যাটাও তাঁদের কাছেই বেশি হয়ে দাঁড়ায়। safety, childcare, pay, marriage, parenthood, workplace, mobility, assets, entrepreneurship, pensions. এতগুলো জায়গা ধরা হয়েছে এই রিপোর্টে। আর প্রতিক্ষেত্রেই রয়েছে বৈষম্য। যেমন ধরুন রাস্তাঘাটে নিরাপত্তার অভাবে মহিলারা কাজে যেতে পারেন না। যে ভয় পুরুষের নেই। তবে আমাদের জন্য একটু হলেও একটা ভাল খবর আছে। মহিলাদের সমানাধিকারের প্রশ্নে ১২৬ নম্বর থেকে ভারত ১১৩ নম্বরে উঠে এসেছে। যদিও ভারতে প্রতি ১০০ জন পুরুষ পিছু মাত্র ৩৭ জন মহিলা ঘরের বাইরে কাজ করতে যান। এই সংখ্যাটা বাড়াতে পারলে শুধু নম্বার বাড়বে এমনটা নয়। অর্থনীতিও আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছে ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক।