Chhattisgarh: পিকআপ ভ্যান উল্টে নেমে গেল ২০ ফুট গভীর খাদে, মৃত্যু ১৮ বিড়ি শ্রমিকের – Bengali News | 18 Persons killed as pickup van plunges into gorge in Chhattisgarh
উল্টোনো ভ্যানকে ঘিরে পড়ে রয়েছে দেহের সারিImage Credit source: Twitter
রায়পুর: উল্টে গেল পিকআপ ভ্যান। যার জেরে মৃত্যু হল অন্তত ১৮ জনের। সোমবার (২০ মে), এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনার সাক্ষী হল ছত্তীসগঢ়। রাজ্যের কবিরধাম জেলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের মধ্যে ১৪ জনই মহিলা। বাকিরা পুরুষ। এছাড়াও. আরও আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। সূত্রের খবর, পিকআপ ভ্যানটিতে ২৫ থেকে ৩০ জন শ্রমিক ছিলেন। জঙ্গলে কেন্দু পাতা সংগ্রহ করে, ওই পিকআপ ভ্যানে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা। সকলেই বাইগা সম্প্রদায়ের।
বাহপানি এলাকায়, গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় এবং গড়িয়ে প্রায় ২০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়। হতাহতদের দ্রুত নিকটবর্তী এক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে, আরও উন্নত মানের চিকিৎসার জন্য জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
হতাহতদের সকলেই কুই গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। এই গ্রাম মূলত বাইগা সম্প্রদায় অধ্যুষিত। বাইগা সম্প্রদায়ের অধিকাংশ মানুষ বিড়ি তৈরির কাজে যুক্ত। বিড়ি বাঁধার জন্য তারা জঙ্গলে কেন্দু পাতা সংগ্রহ করতে যায়। সাধারণত, শীতকালের পর মার্চ মাসে নতুন কেন্দু পাতা তৈরি হয়। প্রতি বছর মে মাসে সেই পাতা সংগ্রহ করা হয়। এই পাতাগুলি দিয়েই বিড়ি বাঁধা হয়।
এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থটি কুকদুর থানার এক্তিয়ারে পড়ে। ঘটনাস্থলেই অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। বাকিদের মৃত্যু হয়েছে পড়ে, হাসপাতালে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল পুলিশের একটি দল। তারাই উদ্ধার অভিযান শুরু করে। হতাহতদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। রাষ্ট্রপতি টুইট করেছেন, “ছত্তীসগঢ়ের কবিরধাম জেলায় পথ দুর্ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই খবর অত্যন্ত দুঃখজনক। এই দুর্ঘটনায় তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন যারা, তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি।”
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লিখেছেন, “ছত্তীসগঢ়ের কাওয়ার্ধায় পথ দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এই দুর্ঘটনায় যারা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। সেই সঙ্গে আমি সকল আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে, স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্থদের সম্ভাব্য সকল উপায়ে সাহায্য করছে।”