Amit Shah: ‘তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্ক কারা জানেন?’ উত্তর নিজেই বললেন শাহ – Bengali News | Amit Shah in Durgapur Bardhaman For Lok Sabha Election Campain Of Dilip Ghosh
বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী দিলীপ ঘোষের সমর্থনে প্রচারে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর আগে কৃষ্ণনগরে সভা করেছিলেন তিনি। ভোটের প্রচারে এর আগে রাজ্যে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
অমিত শাহর বক্তব্য এক ঝলকে
- অমিত শাহ: সিএএ চালু হওয়া উচিত তো? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিএএ-র বিরোধিতা করছেন। উনি যতই বিরোধ করুন আমরা হিন্দু ভাইদের নাগরিকত্ব দেবই।
- অমিত শাহ: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ করে বলছি দুর্গাপুরে জিতবেন না। এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন ধান্দা খুলেছেন। অপরাধীদের জন্য় এখানে কেউ কোনও কাজ করতে পারে না। এরা ১২ লক্ষ কোটি টাকার ঘাপলা করেছে। এখানকার মন্ত্রীদের ঘর থেকে ৫০ কোটি টাকার ক্যাশ মেলে। কালকে রাতেও ঝাড়খন্ডের এক মন্ত্রীর ঘর থেকে প্রচুর উদ্ধার হয়েছে।
- অমিত শাহ: ওরা ভয় দেখিয়ে বলে স্টিলের কারখানা বন্ধ করে দেবে। আমি বলছি, এখানে স্টিল প্ল্যান্ট হবে। মোদীজীর নেতৃত্বে আরও কারখানা হবে। এখানকার শ্রমিক ইউনিয়নগুলির উপর তৃণমূলের নেতৃত্ব রয়েছে। আর ওরা শ্রমিকদের উপার্জনের অর্থ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেয়। দিলীপ ঘোষকে জিতিয়ে দিন তারপর এই সকল গুন্ডাদের উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করে দেওয়ার কাজ করবে তৃণমূল।
- অমিত শাহ: একসময় দুর্গাপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউন ছিল। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুন্ডারা এই বাতাবরণ বদলে দিয়েছে।
- অমিত শাহ: মমতা দিদির কথা মতো কংগ্রেস সরকার চলছিল। রোজদিন পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে আলিয়া-মালিয়া-জালিয়া চলে আসত। বোমাবাজি করত। ওরা ভোট ব্যাঙ্কের জন্য কিছুই বলে না। পুলওয়ামায় হামলার পরই নরেন্দ্র মোদী সার্জিকাল স্ট্রাইক করে পাকিস্তানের ঘরে ঢুকে জঙ্গীদের শেষ করেছে।
- অমিত শাহ: যখন ৩৭০ বিল অবলুপ্তির কথা চলছিল রাহুল বাবা রুখে দাঁড়িয়ে বললেন। এটা হটিও না। আমি বললাম কেন? বললেন, রক্তের বন্যা বইবে। কিছু হয়েছে?
- অমিত শাহ: কাশ্মীর তো আমাদের তাই না? মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেছেন, কাশ্মীরের সঙ্গে বাংলা আর রাজস্থানের কী সম্পর্ক? আপনার এত বছর রাজনীতিতে হয়ে গেল এখনও জানতে পারলেন না বাংলাকে। এখানকার বাচ্চারাও কাশ্মীরের প্রাণ দিতে পারে।
- অমিত শাহ: রাম মন্দির হওয়া উচিত ছিল ? কংগ্রেস আর তৃণমূল ৭০ সাল থেকে রাম মন্দির হওয়া থেকে আটকাচ্ছিল। মোদীকে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছেন বলেই রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠা হল। রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছিল। ওঁরা যাননি। কারণ ভোট ব্যাঙ্কের জন্য ভয় পায়। ওঁদের ভোট ব্যাঙ্ক কারা জানেন তো? যাঁরা অনুপ্রবেশকারী তাঁরাই ওদের ভোটব্যাঙ্ক। যাঁরা রামের বহিষ্কার করেছে দুর্গাপুরবাসী কি ভোট দেবে?
- অমিত শাহ: দিলীপ ঘোষের নামে যখন বিজেপিকে ভোট দেবেন সেই সময় মনে রাখবেন আপনারা মোদীজী কে আরও একবার প্রধানমন্ত্রী বানানো।