High Protein Diet: একদিন বেশি চিকেন খেলেই পরদিন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগতে হয়? কীভাবে এড়াবেন এই রোজের সমস্যা? – Bengali News | Can a high protein diet cause constipation? know how to prevent it
দেহে অ্যান্টিবডি গঠন করা থেকে শুরু করে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রোটিন অপরিহার্য। পেশি ও অঙ্গ গঠন, ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করা, ইমিউন ফাংশন ও মেটাবলিক প্রক্রিয়া সচল রাখা এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করার ক্ষেত্রে প্রোটিনের অবদান সবচেয়ে বেশি। কিন্তু দেহে যদি প্রোটিনের মাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে যায়, তখনই মুশকিল।
হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিংয়ের মতে, এক পূর্ণবয়স্কের দেহে দৈনিক প্রতি কেজিতে ০.৮ গ্রাম প্রোটিন দরকার। অর্থাৎ, আপনার ওজন যদি ৫০ কেজি হয়, সেক্ষেত্রে দৈনিক ৪০ গ্রাম প্রোটিন দরকার। তবে, আপনি যদি খেলাধুলো করে বা দেহে কোনও ক্ষত থাকে বা অসুস্থ হন, সেক্ষেত্রে সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য আরেকটু বেশি প্রোটিনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু আপনি যদি দৈনিক চাহিদার প্রতি কেজিতে ২ গ্রাম বেশি প্রোটিন গ্রহণ করে, সেক্ষেত্রে একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়ে। বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায়, অত্যধিক প্রোটিন গ্রহণের ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে।
২০২৪-এর এপ্রিলে Neurogastroenterology & Motility জার্নালে প্রকাশিত একটা প্রতিবেদন অনুসারে, প্রোটিন গ্রহণ ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বৃদ্ধির মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। যাঁরা কম পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করে, তাঁদের মলত্যাগের সমস্যা দেখা দেয়। অত্যধিক পরিমাণে প্রোটিন খেলে ডিহাইড্রেশনের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এতে দেহে তরলের ভারসাম্য ঠিক থাকে না। এর জেরে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে। পাশাপাশি অনেকেই অত্যধিক প্রোটিন গ্রহণের ফলে হজমজনিত সমস্যায় ভোগেন।
এই খবরটিও পড়ুন
বাওয়াল মুভমেন্ট ঠিক রাখার জন্য প্রোটিন অপরিহার্য। প্রাণীজ প্রোটিন হিসেবে রেড মিট, মুরগির মাংস, ডিম, দুগ্ধজাত পণ্য খাওয়া হয়। এগুলোতে ফাইবার পরিমাণ একদম থাকে না। অন্যদিকে, ডাল, সবজি, ফল ও দানাশস্যের মধ্যে ফাইবার রয়েছে। আর কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করার জন্য ফাইবার দরকার। সুতরাং, অত্যধিক পরিমাণে প্রাণীজ প্রোটিন খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে।
হাই-প্রোটিন যুক্ত খাবার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করবেন কীভাবে?
দেহে প্রোটিন ও ফাইবার দুটোই দরকার। তাই মাছ-মাংসের পাশাপাশি ফল, সবজি, ডাল ও দানাশস্য বেশি করে খান। এতে হজমজনিত সমস্যা এড়াতে পারবেন এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা প্রতিরোধ করতে পারবেন। এছাড়া প্রচুর পরিমাণে ফল পান করুন। মলত্যাগের সমস্যা এড়াতে গেলে দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়া দরকার। আর রোজ শরীরচর্চা করুন। তবেই এড়াতে পারবেন কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা।