Jalpaiguri: ভোটের চাঁদা না দেওয়ায় রিসর্ট বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, হাইকোর্টে মালিক – Bengali News | Allegation of closing resort against TMC Leader, Owner going to High Court
শোরগোল জলপাইগুড়িতে Image Credit source: TV-9 Bangla
জলপাইগুড়ি: নির্বাচন তহবিল আদায়ে রিসর্ট মালিকের কাছে তৃণমূল নেতাদের জুলুমবাজির অভিযোগ। পুলিশের কাছে গিয়েও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রিসর্ট মালিক। অভিযোগ, ডুয়ার্সের বানারহাট থানা এলাকায় থাকা এক রিসর্টের মালিক জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে নির্বাচন তহবিলে মোটা টাকা চাঁদা দাবি করা হচ্ছিল। অভিযোগের তির স্থানীয় তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি পৃথ্বীরাজ ছেত্রী ও ব্লক সভাপতি প্রেম ছেত্রী ওরফে কাজি পাণ্ডের দিকে।
জিয়াউর রহমানের দাবি, তিনি তাঁর সাধ্য মতো ১৭ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু, যা দাবি ছিল তার সঙ্গে টাকার অঙ্ক না মেলায় ওই টাকা ফেরত দিয়ে দেন তৃণমূল নেতারা। অভিযোগ, ২১ এপ্রিল সদলবলে রিসর্টে আসেন তৃণমূল নেতারা। অস্ত্র হাতে ঢুকে রিসর্টের কর্মীদের অশ্লীল গালিগালাজ করে বের করে দেওয়া হয়। গেটে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় তৃণমূলের পতাকা। ঝুলিয়ে দেওয়া হয় তালাও। বন্ধ হয়ে যায় রিসর্ট। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়।
জিয়াউর জানাচ্ছেন, গোটা বিষয়টি নিয়ে তাঁরা বানারহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু, অভিযোগ যে নেওয়া হয়েছে তার কোনও রিসিভ কপিই দেওয়া হয়নি। এরপর জিয়াউর ২২ এপ্রিল জলপাইগুড়িতে এসে পুলিশ সুপার এর দ্বারস্থ হন। ফের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু, এখনও সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি বলে জানাচ্ছেন তিনি। এখনও তালা বন্ধ হয়ে রয়েছে রিসর্ট।
জিয়াউর রহমানের আইনজীবী গোপাল শা বলছেন, “একটি রাজনৈতিক দলের লোকেরা এসে আমার মক্কেলের অ্যামিউসমেন্ট পার্ক বন্ধ করে দিয়েছে। ওরা টাকা দিয়েছিল। কিন্তু ওদের দাবি মতো টাকা না দেওয়াতে জোর করে পার্ক বন্ধ করা হয়েছে। বিষয়টি পুলিশকে জানালো হলেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। সে কারণেই আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি।” সূত্রের খবর, মামলাটি ইতিমধ্যেই হাইকোর্টে গৃহীত হয়েছে। শীঘ্রই শুনানির দিন জানিয়ে দেওয়া হবে।