SSC Verdict: ১৫ দিনের মধ্যেই দেওয়া হবে চাকরি, কীভাবে হবে যোগ্যদের বাছাই? – Bengali News | Ssc verdict: Jobs will be given within 15 days, how will the selection of the qualified?
কীভাবে হবে যোগ্যদের বাছাই? Image Credit source: TV9 Bangla
কলকাতা: ২০১৬ সালের এসএসসি মামলার রায় ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট। ২০১৬ সালের সম্পূর্ণ প্যানেল, অর্থাৎ গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম দশম, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হল ২৩ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল হল। তবে প্রশ্ন উঠছে, গোটা ২০১৬ সালের চাকরিপ্রাপকদের মধ্যে অনেকেই তো যোগ্য রয়েছেন, তাহলে তাঁদের কী হবে? তাঁদের তো চাকরি গেল? সেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বলছে, ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট পুর্নমূল্যায়ন হবে। সেক্ষেত্রে যোগ্য চাকরিপ্রাপকদের ওএমআর শিটও পুর্নমূল্যায়ন হবে। ফলে তাঁদেরও চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এবং হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, নতুন চাকরি পাওয়ার প্রক্রিয়া ১৫ দিনের মধ্যেই শুরু হবে।
২০১৬ সালের গোটা প্যানেল নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। ওএমআর শিট গন্ডগোল, র্যাঙ্ক জাম্প, সুপার নিউমেরিক পোস্টের অভিযোগ ছিল। সেক্ষেত্রে টেন্ডারেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। হাইকোর্ট আইনজীবী জানান, ডিভিশন বেঞ্চ বারবার রাজ্য সরকার ও এসএসসি-কে জিজ্ঞাসা করেছিল কারা প্রকৃত চাকরিপ্রাপক, তার হিসাবটা দিতে। এই হিসাব আদালতে জমা দিতে পারেনি রাজ্য সরকার। রাজ্য ও এসএসসি-র তরফে বারবার এটাও জানানো হয়েছিল, সংশ্লিষ্টভাবে কারা দুর্নীতি করে চাকরি পেয়েছিলেন। দেখা যায়, যত রেকমেনডেশন এসএসসি দিয়েছিল, তার থেকে বেশি লোক চাকরি করছে। অর্থাৎ সুপার নিউমেরিক পোস্টেও প্রচুর বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছে। সেই কারণেই ২০১৬-র গোটা প্যানেল বাতিল করা হয়েছে বলে সোমবার রায় ঘোষণার সময়ে জানিয়ে দেয় বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি সাব্বির রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ।
এর ফলে নতুন করে যোগ্য চাকরি প্রার্থীরা চাকরি পাবেন। কিন্তু কীভাবে? সেক্ষেত্রে আদালত জানিয়েছে, ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট পুর্নমূল্যায়ন হবে। সিবিআই-এর হায়দরাবাদ থেকে উদ্ধার করা হার্ড ডিস্ক, OMR শিট উদ্ধার করে তথ্য আদালতে জমা করেছিল আগেই। রাজ্য সরকারের কাছেও যে OMR শিট রয়েছে, তার তথ্য আদালতে জমা করা হয়েছিল। ডিভিশন বেঞ্চ আগের শুনানিতে রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চেয়েছিল, এই তথ্যের ভিত্তিতে OMR শিট পুর্নমূল্যায়ন করলে কী যোগ্যদের তালিকা তৈরি করা সম্ভব? রাজ্য সরকারের তরফে সে সময়ে জানানো হয়েছিল, অবশ্যই সেই তালিকা তৈরি করা সম্ভব। তবে তা সময় সাপেক্ষ। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, সিবিআই-এর উদ্ধার করা OMR শিটের বৈধ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছিল একাধিক। আদালত সোমবারের রায়ে স্পষ্ট করে দিয়েছে, হ্যাঁ, সিবিআই-এর উদ্ধার করা OMR শিট বৈধতা। সেটি 65 B কমপ্লায়েন্স হয়েছে।
তার ভিত্তিতেই হাইকোর্ট এদিন স্পষ্ট করে দেয়, সেই OMR শিট পুর্নমূল্যায়ন করে যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। সেক্ষেত্রে যাঁরা ২০১৬-র প্যানেলে যোগ্যতার সঙ্গে চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁরাও সুযোগ পাবেন। সেই গোটা প্রক্রিয়াই ১৫ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ করতে হবে বলে হাইকোর্ট সময় বেঁধে দিয়েছে। নতুন করে টেন্ডার দেওয়া হবে।