লতা ‘বিবাহিত’ ছিলেন? প্রেমিকের নামেই নাকি সিঁথিতে সিঁদুর পরতেন, কে সেই ব্যক্তি? – Bengali News | Why did unmarried lata mangeshkar wear sindoor in her forehead
কত গায়িকা আসবেন, যাবেন, কিন্তু আর একটা লতা মঙ্গেশকর তৈরি হবে না–এমনটাই মনে করেন ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পীরা। তিনি সরস্বতীর বরকন্যা। অমন গানের গলা আর কারও নেই। সুর, তাল, লয়ে অদ্বিতীয়া বললেও কম বলা হবে লতাকে। ২০২২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি প্রয়াণ ঘটে লতার। আশ্চর্যের বিষয়–ঠিক তার আগের দিনটা ছিল সরস্বতী পুজো। সকলে বলাবলি করেছিলেন–যাওয়ার আগে মেয়েকে সঙ্গে করে স্বর্গে নিয়ে গেলেন মা সরস্বতী। বিরাট মঙ্গেশকর পরিবারটাকে একা হাতে আগলে রেখেছিলেন লতা। তাঁর আঁচলের তলেই প্রতিপালিত ছিলেন ছোট ভাই-বোনেরা। ভাই-বোনদের দেখভাল করবেন বলে, আজীবন বিয়েটাই করলেন না লতা। কিন্তু তিনি সিঁথিতে সিঁদুর পরতেন। কার জন্য? সেই উত্তরও দিয়েছিলেন লতা।
লতা নাকি ইন্ডাস্ট্রিতে রাজনীতি করেছিলেন। তিনি ছাড়া যাতে গগনে আর কোনও তারা চকমক করতে না পারেন, সে জন্য নাকি অনেককে উঠতেই দিতে চাইতেন না লতা। পলিটিক্স করে সরিয়ে দিয়েছিলেন। শোনা যায়, তৎকালীন BCCI প্রেসিডেন্ট রাজ সিং দুনগাপুরের সঙ্গে ভাব জমে উঠেছিল লতার। তাঁকে ক্রিকেটের ময়দানে দেখাও গিয়েছিল। ক্লাব হাউজ়ে বসে খেলা দেখতেন লতা। সেটা নাকি রাজ সিংয়ের জন্যই।
এই খবরটিও পড়ুন
আসলে লতার দাদা হৃদয়নাথ মঙ্গেশকর ছিলেন রাজ সিংয়ের বন্ধু। ফলে দাদা সুবাদেই রাজ সিংয়ের সঙ্গে আলাপ এবং ঘনিষ্ঠতা বাড়ে লতার। সম্পর্কটা নাকি ছাদনাতলা পর্যন্ত যায়নি রাজ সিংয়ের বাবার কারণে। তিনিই বিয়েতে বাধা দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, লতা রাজ পরিবারের মেয়ে নন বলে এই বিয়ে হতে পারে না। কিন্তু ভালবাসা কি মন থেকে মুছে ফেলা যায়। অনেকেই বলেন, লতা নাকি সেই রাজ সিংকে ভালবেসেই সিঁড়িতে সিঁদুর পরতেন। যদিও লতা জানিয়েছিলেন, সঙ্গীতকে ভালবেসে, সঙ্গীতের জন্যই তাঁর সিঁথির এই সিঁদুর!