Heavy Periods: ২ ঘণ্টায় দু’বার প্যাড বদলাতে হচ্ছে? হেভি পিরিয়ডের সমস্যাকে বশে রাখবেন যে উপায়ে – Bengali News | 5 home remedies to manage heavy periods
সময়মতো পিরিয়ড না হওয়া যেমন চিন্তার, তেমনই ঋতুস্রাবের সময় অত্যধিক রক্তপাতও বিরক্তির কারণ। অনেক মহিলাই পিরিয়ডের সময় অত্যধিক রক্তপাত (Heavy Bleeding)-এর সমস্যায় ভোগেন। ২ ঘণ্টা যায় না, স্যানিটরি প্যাড বদলে ফেলতে হয়। রাস্তাঘাটে এই অবস্থায় বেরোলে বেশ অস্বস্তিতেই পড়তে হয়। অনেক সময় এই হেভি ব্লিডিং ৭ দিনের বেশিও স্থায়ী হয়। অর্থাৎ, ১ সপ্তাহের বেশিও পিরিয়ড চলে। এই অবস্থাকে মেনোরেজিয়া বলে।
মেনোরেজিয়ার কারণ
পিরিয়ডের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের পিছনে বিভিন্ন কারণ দায়ী হতে পারে। হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, বিশেষত ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের প্রভাবে অত্যধিক রক্তক্ষরণ হয়। এছাড়াও পিসিওএস, ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স ও থাইরয়েডের সমস্যাও হেভি পিরিয়ডের জন্য দায়ী। এছাড়া জরায়ুতে ফাইব্রয়েডের বৃদ্ধিও মেনোরেজিয়ার পিছনে দায়ী।
ঘরোয়া উপায়ে নিয়ন্ত্রণে রাখুন হেভি পিরিয়ডকে
এই খবরটিও পড়ুন
১) অ্যাপেল সিডার ভিনিগার: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের সমস্যা এড়াতে অ্যাপেল সিডার ভিনিগারের সাহায্য নিন। এতে মাথা ব্যথা, ক্র্যাম্পের হাত থেকেও মুক্তি পাবেন। এক গ্লাস জলে ২ চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে পান করুন। ঋতুস্রাব চলাকালীন দিনে ২-৩ বার এই পানীয় খেতে পারেন।
২) হাইড্রেট থাকুন: গরমকালে শরীরে তরলের ঘাটতি একাধিক সমস্যা ডেকে আনতে পারে। এছাড়া পিরিয়ডের সময় শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে গেলে সমস্যা আরও বাড়বে। এই সময় দিনে ৫-৭ গ্লাস জল পান করুন। প্রয়োজনে ইলেক্ট্রোলাইট মিশিয়ে জল খান।
৩) আদার জল: পিরিয়ড চলাকালীন রক্তক্ষরণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে আদার জল। পাশাপাশি পিরিয়ডের সময় হওয়া শারীরিক ক্লান্তি থেকেও মুক্তি দেয়। আদার জল খাওয়ার বদলে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে পারেন কিংবা আদা দিয়ে চাও খেতে পারেন।
৪) মৌরি: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণকে নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি পিরিয়ডের সময় হওয়া শারীরিক প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে মৌরি। মৌরির মধ্যে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে, যা মেন্সট্রুয়াল ক্র্যাম্প কমাতে সাহায্য করে। এক গ্লাস জলে এক চামচ মৌরি সারা রাত ধরে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে এটি পান করুন।
৫) লাল র্যাশবেরির পাতা: যাঁরা মেনোরেজিয়ার সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য ভীষণ উপকারী লাল র্যাশবেরির পাতা। পাতা না পেলে র্যাশবেরিও খেতে পারেন। এর মধ্যে ট্যানিন নামের একটি যৌগ রয়েছে, যা জরায়ুর পেশির ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি তলপেটের ব্যথা কমায় এবং শারীরিক ক্লান্তি দূর করে। আর যদি লাল র্যাশবেরির পাতা খান, তাহলে গরম জলে ফুটিয়ে পান করুন।