হরমুজ় পথে বিধিনিষেধ থেকে ভারতকে ছাড় ইরানের
ওই সাক্ষাৎকারে হায়াত মোঘাদ্দাম দাবি করেছেন, হরমুজ় পথে অবাধে যাতায়াতের সুযোগকে তাঁরা নির্দিষ্ট কিছু দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার জন্য ব্যবহার করছেন। সেই জন্য অন্য দেশগুলির বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে এখন (বুধবার) পর্যন্ত পুরোনো বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে। সংবাদসংস্থার রিপোর্টে দাবি, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের যুদ্ধ বাধতেই ইরানে প্রয়োজনীয় ওষুধের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বিশ্বজুড়ে একাধিক নিষেধাজ্ঞার চাপ এবং যুদ্ধ অব্যাহত থাকায়, তেহরানের ওষুধের চাহিদা ক্রমশ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কেট ক্যাপ-এর নিরিখে বিভিন্ন দেশের তুলনায় ভারতের ওষুধ উৎপাদন ক্ষেত্র বড় হওয়ায় নয়াদিল্লির ওষুধ এবং চিকিৎসা সামগ্রীকে তেহরানে সরবরাহের বড় ‘সোর্স’ হিসেবে ‘পাখির চোখ’ করেছে ইরান প্রশাসন। সেজন্যই হরমুজ় পথে নয়াদিল্লির জাহাজকে অবাধে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের একাংশের। অন্য দিকে, চিনের ক্ষেত্রে এই হিসেব অনেকটাই রাজনৈতিক। বিশ্ব রাজনীতিতে বেজিং-এর সমর্থন নিশ্চিত করতেই চিনকেও হরমুজ় বিধিনিষেধের বাইরে রাখা হয়েছে বলে ওই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন মোঘাদ্দাম।উল্লেখ্য, হরমুজ় পথ দিয়ে যাওয়ার জন্য ভারত এবং চিনের বাণিজ্যিক জাহাজগুলির থেকে ট্রানজ়িট ফি’জ আদায় করে ইরান প্রশাসন। তবে কাতারের জাহাজগুলিকে কোনও ফি ছাড়াই যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মোঘাদ্দাম।