Lok Sabha Polls: ভোটের আগেই হঠাৎ অকাল ভোট দমদমে, চলছে ব্যালট পেপার বিলি, বসছে ব্যালট বক্স - Bengali News | Before the election, voting is in full swing, ballot papers are being distributed, ballot boxes are being installed - 24 Ghanta Bangla News
Home

Lok Sabha Polls: ভোটের আগেই হঠাৎ অকাল ভোট দমদমে, চলছে ব্যালট পেপার বিলি, বসছে ব্যালট বক্স – Bengali News | Before the election, voting is in full swing, ballot papers are being distributed, ballot boxes are being installed

Spread the love

জোরকদমে চলছে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি
Image Credit source: TV-9 Bangla

দমদম: রাজ্যের পাশাপাশি ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে গোটা দেশেই। কান পাতলেই শোনা যাচ্চে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভারী বুটের আওয়াজ। ১ জুন বারাসত, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর, ডায়মন্ড-হারবার, যাদবপুর, কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণের পাশাপাশি ভোট রয়েছে দমদমেও। কিন্তু, ভোটের প্রায় দুই মাস আগেই মদম লোকসভার দক্ষিণ দমদম পুর এলাকার ১৫নং ওয়ার্ডে ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। ব্যালট পেপার বিলি হচ্ছে বাড়ি বাড়ি। যা নিয়েই জোর চর্চা চলছে জেলার রাজনৈতিক মহলে। 

সূত্রের খবর, ভোটে অংশ নিতে চলেছেন ওয়ার্ডের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার ভোটার। আগামী ৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে থাকা ব্যালট বক্সে তাঁদের মতামত প্রদান করতে পারবেন এলাকার লোকজন। কিন্তু, এই ভোটের সঙ্গে লোকসভা ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই। গত ১৯ মার্চ নির্দল কাউন্সিলর দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানায় শাসক তৃণমূল।  দমদমের রবীন্দ্র ভবনে প্রকাশ্যেই তাঁকে দলে যোগ দেওয়ার জন্য ডেকে নেন শাসক নেতারা। কিন্তু, দেবাশিসবাবু মঞ্চে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেন এলাকার বাসিন্দাদের মতামত না নিয়ে তিনি কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। সেই মতামত নিতেই এখন এই ভোট গ্রহণের আয়োজন করা হয়েছে বলে খবর। সে কারণেই মঙ্গলবার থেকে চলছে ব্যালট পেপার বিলির কাজ। 

এই খবরটিও পড়ুন

সূত্রের খবর, যে ব্যালট পেপার দেওয়া হচ্ছে সেখানে কাউন্সিলরের কোনও দলে যোগ দেওয়া উচিত নাকি নির্দল হিসাবে থেকে যাওয়া উচিত, এমনকী এর পিছনে কী কারণে রয়েছে সবই জানতে চাওয়া হয়েছে বলে খবর। ওই পেপার ফিল আপ করে ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে রাখা ব্যালট বক্সে তা ফেলতে পারবেন এলাকার লোকজন। ১০ এপ্রিল ওই ব্যালট বাক্সগুলি নির্বাচন কমিটির সামনে খোলা হবে। তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন কাউন্সিলর। থানিক অভিমানের সুরেই দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অকাল ভোট করতে আমরা বাধ্য হয়েছি। ১৯৯৮ সাল থেকে আমি তৃণমূল কংগ্রেস করছি। ২০১৫ সালে আমি জিতেছিলাম। বিভিন্ন সময় ব্রাত্য বসু, সৌগত রায়েরা আমাদের ওয়ার্ড থেকে সর্বোচ্চ ভোটে জিতেছেন।” তাঁর গলায় শোনা যায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কথাও। বলেন, “২০২১ সালে বুক চিতিয়ে লড়ার পর কিছু কুচক্রীর পরামর্শে দল আমাকে টিকিট দিতে চায়নি। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু, কোনও প্রমাণ দেওয়া হয়নি। বলা হয় আমার স্ত্রীকে প্রার্থী করতে। তখনই আমার এলাকার লোকের পরামর্শ নিয়ে নির্দল হিসাবে লড়ি। জিতি। এখন আমাকে রবীন্দ্রভবনে ডেকে বলা হয় জয়েন করতে। দল ভুল বুঝতে পেরে আমাকে দলে ফের ডাকছে এটা শোনার জন্যই আমি ওখানে যাই। কিন্তু, পতাকা হাতে নেওয়ার আগে আমি বলি আমি আগে এলাকার মানুষের রায় নেব। জনতার কাছ থেকে আমি জানব। তারপর সিদ্ধান্ত নেব।” 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *