পুজোর আগেই আছড়ে পড়বে বাংলায়? এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব! ঝড় বৃষ্টিতে তোলপাড় হতে পারে রাজ্য
পুজোর প্রস্তুতি চলছে রাজ্যের সব জায়গায়। হাতে বাকি নেই আর এক মাসও। সব মিলিয়ে সাজো সাজো রব গোটা বাংলা জুড়ে। চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ, মন্ডপ…
পুজোর প্রস্তুতি চলছে রাজ্যের সব জায়গায়। হাতে বাকি নেই আর এক মাসও। সব মিলিয়ে সাজো সাজো রব গোটা বাংলা জুড়ে। চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ, মন্ডপ তৈরির কাজ। এদিকে, খারাপ খবর শুনিয়েছে আবহাওয়া দফতর। উপগ্রহের পাঠানো ছবি বলছে খুব দ্রুত বাংলার দিকে নাকি ধেয়ে আসছে মারাত্মক ঘূর্ণিঝড় (Weather Report)।
বঙ্গোপসাগরে একের পর এক ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়ে চলেছে। রাজ্যে বর্ষা বিদায়েরও আপাতত লক্ষ্ণণ নেই কোনও। এই ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ কি হবে তাহলে বাংলা? সেই ইঙ্গিতই নাকি মিলছে। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে এই ঘূর্ণিঝড় নাকি তাণ্ডব তৈরি করতে চলেছে। ঘূর্ণিঝড়ে নাম দেওয়া হয়েছে অর্ণব। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলছে রাজ্য জুড়ে। মাঝেমধ্যেই চলছে রোদ আর মেঘের খেলা। তার মধ্যে অর্ণবের আসা নিয়ে বেশ চিন্তায় আবহবিদরা।
এই ঘূর্ণিঝড়ে নাম দিয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের মৌসম বিভাগ বলছে উত্তর আন্দামান সাগরে থাইল্যান্ডের কাছে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। সেটি ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে শনিবার সন্ধ্যায় নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। আর সেটিই ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এটি শক্তি হারিয়ে নিম্নচাপও হতে পারে। সেক্ষেত্রে তাণ্ডবের সম্ভাবনা কম। ভারতীয় আবহবিদরা আশা করছেন এটি ঘূর্ণিঝড় না হয়ে নিম্নচাপ হিসেবে আছড়ে পড়তে পারে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন রাজ্যে।
এদিকে, রাজ্যে আজ সারাদিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির কথা জানিয়েছে আলিপুর। ছয় জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা জারি রয়েছে শনিবার পর্যন্ত। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়া জেলাতে চলবে বৃষ্টি। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়াও থাকবে। কলকাতাতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৮ ডিগ্রি। গতকাল, বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.২ ডিগ্রি।
Advertisements