মন, সমাজ ও সময়ের গল্প
একনজরে
-
দিবারাত্রির কাব্য — মানুষের মন, প্রেম ও সম্পর্কের জটিলতা।
-
ধাত্রীদেবতা — গ্রামবাংলা, সামাজিক পরিবর্তন ও এক যুবকের বেড়ে ওঠা।
-
তিথিডোর — মধ্যবিত্ত পরিবার, প্রেম ও সম্পর্কের গল্প।
-
পূর্ব-পশ্চিম — দেশভাগ, উদ্বাস্তু জীবন ও দুই বাংলার পরিবর্তন।
-
নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে — দেশভাগের আগে-পরে বাংলার গ্রামীণ সমাজের বদলে যাওয়া ছবি।
-
মাধুকরী — প্রচলিত জীবনের বাইরে স্বাধীনভাবে বাঁচার আকাঙ্ক্ষা ও প্রকৃতির টান।
FAQ
১. বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাস বলতে কী বোঝায়?
যে উপন্যাসের গল্প, চরিত্র ও ভাবনা সময় পেরিয়েও পাঠকের কাছে প্রাসঙ্গিক ও আকর্ষণীয় থাকে, সেগুলিকে সাধারণভাবে কালজয়ী সাহিত্যকর্ম বলা হয়।
২. ‘দিবারাত্রির কাব্য’ কী ধরনের উপন্যাস?
এটি মূলত মানুষের মনস্তত্ত্ব, প্রেম, আকর্ষণ ও সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লেখা একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৩. ‘ধাত্রীদেবতা’ উপন্যাসের মূল বিষয় কী?
গ্রামবাংলার সমাজ, জমিদারি ব্যবস্থা, সামাজিক পরিবর্তন এবং শিবনাথের ব্যক্তিগত ও মানসিক বিকাশ উপন্যাসটির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
৪. ‘তিথিডোর’-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র কে?
উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র স্বাতী। তার বেড়ে ওঠা, পরিবার, প্রেম ও সম্পর্কের নানা টানাপড়েনকে ঘিরে কাহিনি এগিয়েছে।
৫. ‘পূর্ব-পশ্চিম’ উপন্যাসে কোন সময়ের ছবি রয়েছে?
দেশভাগের সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েক দশকের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের বিস্তৃত ছবি এতে পাওয়া যায়।
৬. ‘নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে’ উপন্যাসের প্রধান প্রেক্ষাপট কী?
অবিভক্ত বাংলার গ্রামীণ জীবন এবং দেশভাগের অভিঘাতে সেই সমাজ ও মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া পরিবর্তন এই উপন্যাসের গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট।
৭. ‘মাধুকরী’-র কেন্দ্রীয় চরিত্র কে?
বুদ্ধদেব গুহের ‘মাধুকরী’-র কেন্দ্রীয় চরিত্র পৃথু ঘোষ। প্রচলিত জীবন থেকে বেরিয়ে নিজের মতো করে বাঁচার আকাঙ্ক্ষা তার চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।