ব্রহ্মসের পর এবার ভারতের প্রলয় ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পথে ফিলিপিন্স - 24 Ghanta Bangla News
Home

ব্রহ্মসের পর এবার ভারতের প্রলয় ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পথে ফিলিপিন্স

Spread the love

ফিলিপিন্স এখন ভারতের প্রলায় ক্ষেপণাস্ত্রের দিকে নজর দিচ্ছে।(Pralay missile) ব্রহ্মোস কেনার পর ম্যানিলা আরও একটি ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মূল্যায়ন করছে। এতে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির ক্ষেত্রে…

philippines-pralay-missile

ফিলিপিন্স এখন ভারতের প্রলায় ক্ষেপণাস্ত্রের দিকে নজর দিচ্ছে।(Pralay missile) ব্রহ্মোস কেনার পর ম্যানিলা আরও একটি ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মূল্যায়ন করছে। এতে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।ফিলিপাইন এর আগে প্রায় ৩৭৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র কিনেছিল। এটি ছিল ব্রহ্মোস ব্যবস্থার প্রথম রফতানি চুক্তি।

তিনটি উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যাটারি সরবরাহের সেই চুক্তি দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এখন ম্যানিলা প্রলায় ক্ষেপণাস্ত্র মূল্যায়ন করছে, যা তাদের ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র পোর্টফোলিও আরও বিস্তৃত করতে পারে।প্রলায় একটি দেশীয়ভাবে তৈরি প্রায়-ব্যালিস্টিক সারফেস-টু-সারফেস ক্ষেপণাস্ত্র। (Pralay missile)এটি সামরিক স্থাপনায় নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম। রফতানি সংস্করণে এর পরিসর প্রায় ৩০০ কিলোমিটার এবং পেলোড ক্ষমতা ৫০০ কেজির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হতে পারে, যাতে আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চলা যায়।

আরও দেখুনঃ প্রতিরক্ষা গবেষণায় উঠে আসছে পশ্চিমবঙ্গ! জুনপুটে DRDO র নয় কেন্দ্রের প্রস্তুতি শুরু

ব্রহ্মোস উপকূলীয় প্রতিরক্ষায় সহায়ক হলে প্রলায় স্থল-ভিত্তিক স্ট্রাইক সক্ষমতা বাড়াতে পারে।ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানি ক্রমাগত বাড়ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এটি রেকর্ড ২৩,৬২২ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা আরও বেড়ে প্রায় ৪.১ বিলিয়ন ডলার বা ৩৮,৪২৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এই বৃদ্ধি দেখায় যে ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্প শুধু অস্ত্র বিক্রি করছে না, বরং বিশ্বজুড়ে গ্রাহক ভিত্তি গড়ে তুলছে।

Advertisements


   


   

ব্রহ্মোস চুক্তির সাফল্য ফিলিপাইনের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। দক্ষিণ চিন সাগরের উত্তেজনার মধ্যে ম্যানিলা তার প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার করতে চাইছে। প্রলায়ের মতো সিস্টেম সেই লক্ষ্যে সহায়ক হতে পারে (Pralay missile)। দুই দেশের মধ্যে আলোচনা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তি হলে তা প্রশিক্ষণ, লজিস্টিকস ও প্রযুক্তি হস্তান্তরসহ বিস্তৃত সহযোগিতার পথ খুলে দিতে পারে।

ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্প আত্মনির্ভরতার দিকে এগোচ্ছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র ব্যবস্থা এখন বিদেশি বাজারেও গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে। ফিলিপাইনের আগ্রহ সেই ধারাকে আরও শক্তিশালী করছে। আর্মেনিয়ার মতো অন্যান্য দেশও ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্রে আগ্রহ দেখিয়েছে। এতে ভারতের বিশ্বব্যাপী প্রতিরক্ষা সরবরাহকারী হিসেবে অবস্থান মজবুত হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *