তালের বড়া নিয়ে ঝগড়া, কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ মিলল বাড়িতে
মঙ্গলবাড়ি ঘোষপাড়া এলাকায় ঘোষ পরিবারের বাস। নমিতা পুরাতন মালদার গৌড় কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের কলা বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। ইংরেজিতে দক্ষ, মেধাবী পড়ুয়া হিসেবে তাঁর পরিচয় ছিল ২০ বছরের তরুণীর। বুধবার রাতে প্রাইভেট টিউশন থেকে ফিরে এসে নমিতা তাঁর মা সীমা ঘোষকে তালের বড়া ভেজে দেওয়ার জন্য বায়না ধরেন। মা রাজি না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়। এর পরে নিজের ঘরে চলে যান নমিতা। সেখানে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজে পাঠায়।
বৃহস্পতিবার সকালে ঘোষ বাড়িতে শোকের আবহ। ছোট মেয়েকে হারিয়ে ঘনঘন জ্ঞান হারাচ্ছেন তাঁর মা ও বাবা। মৃত ছাত্রীর বাবা দেবাশিস ঘোষ পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁর দুই মেয়ে। বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। নমিতার মা সীমা ঘোষের কথায়, ‘মেয়ে প্রচণ্ড জেদি ছিল। ওর কথা মতো সময়ের মধ্যে কাজ না করলে খুব রাগ দেখাত। অনেক রাতে তালের বড়া করতে বলেছিল। বড়া করতে সময় লাগবে বলে রাজি হইনি। শুক্রবার জন্মাষ্টমী, গোপালকে খাইয়ে তালের বড়া সকলে খাওয়াব, এ কথা বলতেই ঝগড়া শুরু করে দেয়। তা বলে ও আত্মঘাতী হবে আমরা কেউ কল্পনা করতে পারিনি।’