Missing Student: পড়তে যাওয়ার নাম করে হঠাৎ ‘গায়েব’! রিষড়া থেকে কীভাবে কাকদ্বীপে পৌঁছে গেল দুই নাবালক? | Missing Students: Two Minors Go Missing from Rishra, Found in Kakdwip What Happend?
উদ্ধার হওয়া দুই ছাত্র।Image Credit: TV9 বাংলা
হুগলি: একজন বেরিয়ে খেলতে, একজন পড়তে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। তারপর আর খোঁজ নেই। বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় হুগলির রিষড়ার দুই নাবালক ছাত্র। সন্ধ্যার পরেও বাড়ি না ফেরায় উদ্বেগে পড়ে পরিবার। রাত বাড়তেই শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। শেষ পর্যন্ত রিষড়া থানার ওসি পরমেশ্বর প্রামাণিকের তৎপরতায় কাকদ্বীপ থেকে উদ্ধার করা হল অষ্টম শ্রেণির দুই ছাত্রকে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এক নাবালক বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে বেরিয়েছিল। রাত ১০টা বেজে গেলেও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা এলাকায় আশেপাশে খোঁজ শুরু করেন। কোনও সন্ধান না পেয়ে তাঁরা রিষড়া থানায় যান। থানায় অভিযোগ জানানোর পরই কাকদ্বীপ থেকে দুই নাবালককে খুঁজে পাওয়ার খবর আসে।
অন্য নাবালকের পরিবারের দাবি, গতকাল সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ পড়তে যাওয়ার কথা বলে ওই নাবালক বন্ধুর বাড়িতে যায়। তবে সেখান থেকে কীভাবে তারা কাকদ্বীপে পৌঁছল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পরিবারের কাছে তারা শুধু জানিয়েছে, ট্রেনে উঠেছিল।
তবে কেন বা কার সঙ্গে কাকদ্বীপ গিয়েছিল, সে বিষয়ে কিছু বলতে পারেনি। দুই নাবালকের কাছেই কোনও মোবাইল ফোন ছিল না বলেও পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে। উদ্ধারের পর দুই নাবালকের সঙ্গে কথা বলেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু তারা কীভাবে রিষড়া থেকে কাকদ্বীপে পৌঁছল, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারেনি।
দুই পরিবারের দাবি, বাড়িতে কোনও অশান্তি বা ঝামেলা হয়নি। তাদের কাউকে বকাবকিও করা হয়নি। তাহলে কেন হঠাৎ পড়তে যাওয়া, খেলতে যাওয়ার নাম করে ভিন জেলায় পৌঁছে গেল, তা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।
দুই পরিবারের তরফেই দ্রুত পদক্ষেপ করার জন্য রিষড়া থানার পুলিশ এবং ওসি পরমেশ্বর প্রামাণিককে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। এক নাবালকের বাবা বলেন, “আমার ছেলেকে খুঁজে পেয়েছি। বড়বাবুকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”
অন্য নাবালকের পরিবারের দাবি, থানায় যাওয়ার আড়াই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই কাকদ্বীপ জিআরপির কাছ থেকে ছেলেকে উদ্ধারের খবর মেলে। তবে দুই নাবালক কীভাবে কাকদ্বীপে পৌঁছল, তাদের সঙ্গে কেউ ছিল কি না এবং কেন তারা বাড়ি থেকে এত দূরে চলে গেল—এই প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।