নজরে কৌশলগত অংশীদারিত্ব! রাষ্ট্রপতি শাভকাতের আমন্ত্রনে উজবেকিস্তান উড়ে গেলেন মোদী
নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাসখন্দ (Narendra Modi)সফরে রওনা হয়েছেন। উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতি শাভকাত মিরজিয়োয়েভের আমন্ত্রণে তিনি ২৯ ও ৩০ আগস্ট দ্বিপাক্ষিক রাষ্ট্রীয় সফর করবেন। এটি প্রধানমন্ত্রীর…
নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাসখন্দ (Narendra Modi)সফরে রওনা হয়েছেন। উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতি শাভকাত মিরজিয়োয়েভের আমন্ত্রণে তিনি ২৯ ও ৩০ আগস্ট দ্বিপাক্ষিক রাষ্ট্রীয় সফর করবেন। এটি প্রধানমন্ত্রীর উজবেকিস্তানে চতুর্থ সফর। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার লক্ষ্য রয়েছে।
এরপর তিনি কিরগিজস্তানের বিশকেক চলে যাবেন সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার ২৬তম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে।ভারত-উজবেকিস্তান (Narendra Modi)সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে গভীরভাবে জড়িত। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বের পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল সংযোগ, জ্বালানি, শিক্ষা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এসব ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ছে।
আরও দেখুনঃবাংলাদেশের রাস্তায় ‘অ্যান্টি-ইন্ডিয়া’ গ্রাফিতি! বিদ্যুৎ সংকটকে হাতিয়ার করে ভারতবিরোধী প্রচার
আর্থিক সংকট-ঋণের বোঝা ? ৩ বছরের শিশুকে ফেলে উত্তাল গোদাবরীতে ঝাঁপ দম্পতির
প্রধানমন্ত্রী মোদী (Narendra Modi)সফর শুরুর আগে বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়েছে। তিনি রাষ্ট্রপতি মিরজিয়োয়েভের সঙ্গে আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ডিজিটাল সংযোগ, প্রতিরক্ষা এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার আশা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ ও ‘উজবেকিস্তান-২০৩০’ এই দুই দেশের উন্নয়ন দৃষ্টিভঙ্গির মিল খুঁজে বের করার বিষয়ও আলোচনায় উঠবে।
তাসখন্দে প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী মেমোরিয়াল এবং তাসখন্দ স্টেট ইউনিভার্সিটি অব ওরিয়েন্টাল স্টাডিজের মহাত্মা গান্ধী সেন্টার পরিদর্শন করবেন। এ দুটি স্থান দুই দেশের সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে সম্পর্কের প্রতীক। শাস্ত্রীজির স্মৃতিস্তম্ভ ভারত-উজবেকিস্তান বন্ধুত্বের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাক্ষী। গান্ধী সেন্টার শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।
বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে। (Narendra Modi)দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এখন প্রায় ১ থেকে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের আশেপাশে। গত এক দশকে বাণিজ্য উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে এবং বিনিয়োগ আরও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ফার্মাসিউটিক্যালস, টেক্সটাইল, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল সেবা খাতে সহযোগিতার বড় সম্ভাবনা রয়েছে।
সমালোচনামূলক খনিজ পদার্থের দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ নিয়েও আলোচনা হতে পারে। উজবেকিস্তান সম্পদসমৃদ্ধ দেশ এবং ভারতের এসব খনিজের চাহিদা বাড়ছে। দুই দেশ বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।