যুদ্ধ লাগাতে বারামুলায় জমানো হচ্ছিল অস্ত্র! সেনাবাহিনীর তৎপরতায় নাশকতার ছক পন্ড - 24 Ghanta Bangla News
Home

যুদ্ধ লাগাতে বারামুলায় জমানো হচ্ছিল অস্ত্র! সেনাবাহিনীর তৎপরতায় নাশকতার ছক পন্ড

Spread the love

শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুলা জেলার সোপোর এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর (Arms Recovery)একটি যৌথ অভিযান চলছে। নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী, সিআরপিএফ এবং জম্মু ও…

শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুলা জেলার সোপোর এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর (Arms Recovery)একটি যৌথ অভিযান চলছে। নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী, সিআরপিএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ মিলে মনজসির এলাকায় এই অভিযান শুরু করে। তল্লাশি চলাকালীন নিরাপত্তা বাহিনী একটি একে-সিরিজ রাইফেল, তিনটি ম্যাগাজিন, চারটি হ্যান্ড গ্রেনেড, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ এবং অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র উদ্ধার করেছে।

অভিযান এখনো চলছে।সোপোরের মনজসির এলাকা দীর্ঘদিন ধরে সংবেদনশীল হিসেবে (Arms Recovery)পরিচিত। এখানকার পাহাড়ি ও বনাঞ্চল ঘেরা ভূখণ্ডে সময় সময় জঙ্গি তৎপরতার খবর পাওয়া যায়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে নির্দিষ্ট তথ্য পৌঁছানোর পরই নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত অভিযান শুরু করে। সেনাবাহিনী, সিআরপিএফ এবং স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে এই যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আরও দেখুনঃ জলের নিচে শত্রুদের শেষ করতে ভারত পেল তৃতীয় অ্যান্টি সাবমেরিন ‘মাংরোল’

তল্লাশির সময় উদ্ধার হওয়া অস্ত্রশস্ত্র প্রমাণ করে যে এলাকায় গোপনে অস্ত্র মজুদ রাখার চেষ্টা চলছিল (Arms Recovery)।উদ্ধার তালিকায় রয়েছে একটি একে-সিরিজ রাইফেল। এর সঙ্গে তিনটি ম্যাগাজিন এবং চারটি হ্যান্ড গ্রেনেডও পাওয়া গেছে। এছাড়া বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ এবং অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে। এই অস্ত্রগুলো স্থানীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হতে পারত।

সময়মতো উদ্ধার হওয়ায় সম্ভাব্য কোনো হামলা নাশকতা রোধ করা গেছে বলে নিরাপত্তা মহল মনে করছে। অভিযান এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। এলাকায় আরও তল্লাশি চলছে যাতে কোনো লুকোনো অস্ত্র বা সংযোগ উদঘাটন করা যায়।জম্মু ও কাশ্মীরে গত কয়েক বছরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়। তবুও মাঝে মাঝে এ ধরনের অভিযানের প্রয়োজন হয়।

আরও দেখুনঃ ‘যথেষ্ট চিনি মজুত আছে!’ উত্তরপ্রদেশে চিনি সংকট নেই, দাবি যোগীর

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়মিত কাজের অংশ। সোপোরের মতো এলাকায় স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা এলাকার ভূগোল এবং জনজীবন সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত। সেনাবাহিনী ও সিআরপিএফ-এর সঙ্গে মিলে কাজ করায় অভিযান আরও কার্যকর হয়েছে।উদ্ধার হওয়া অস্ত্রশস্ত্রের পরিমাণ দেখে বোঝা যাচ্ছে যে এগুলো কোনো সংগঠিত তৎপরতার অংশ হতে পারে।

একে-সিরিজ রাইফেল এবং গ্রেনেডের মতো অস্ত্র সাধারণত জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো ব্যবহার করে থাকে। গোলাবারুদের বড় মজুদও সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী এখন এই অস্ত্রগুলোর উৎস এবং সম্ভাব্য সংযোগ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *