Galsi: রাতে বলেছিল 'ভালো আছি', সকালে স্টেটাসে লেখা 'কষ্টের কথা', ততক্ষণে সব শেষ! | Galsi teenager girl died at relative's house parents complains - 24 Ghanta Bangla News
Home

Galsi: রাতে বলেছিল ‘ভালো আছি’, সকালে স্টেটাসে লেখা ‘কষ্টের কথা’, ততক্ষণে সব শেষ! | Galsi teenager girl died at relative’s house parents complains

Spread the love

গলসি: নাবালিকার মৃত্যুতে খুনের অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। বাড়ির অমতে বিয়ে হয়েছিল প্রিয়া বাউরির। তবে মাত্র ৭-৮ মাসের মধ্যেই এভাবে মেয়েকে হারাতে হবে, তা ভাবেনি পরিবার। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালে প্রিয়ার মামাশ্বশুর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় প্রিয়ার ঝুলন্ত দেহ। পরিবারের দাবি, স্বামী-শাশুড়ির ষড়যন্ত্রেই মৃত্যু হয়েছে নাবালিকার।

প্রিয়ার বাড়ি গলসির পোতনা গ্রামে। পরিবারের দাবি, বাড়ির অমতে প্রায় সাত-আট মাস আগে গলসির জাগুলিপাড়ার বাসিন্দা শুভ বাউরির সঙ্গে প্রিয়ার বিয়ে হয়েছিল। সম্প্রতি স্বামীর সঙ্গে গলসির খেতুড়া গ্রামে মামাশ্বশুরের বাড়িতে বেড়াতে যান প্রিয়া।

পরিবারের অভিযোগ, প্রিয়াকে খুন করা হয়েছে। তাঁদের আরও দাবি, মৃত্যুর খবর পরিবারের সদস্যদের না জানিয়ে বৃহস্পতিবার প্রিয়ার মৃতদেহ খেতুড়া থেকে জাগুলিপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বেলা গড়ালে শুভর পরিবারের লোকজন দেহটি বর্ধমান মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অভিযোগ, সেখানে মৃতদেহ রেখে চলে যান তাঁরা।

মৃতার মা সুমিতা বাউরির অভিযোগ, অন্য এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রথমে মেয়ের মৃত্যুর খবর পান তাঁরা। এরপর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরানো হয় বলে অভিযোগ। মৃতার এক আত্মীয় বলেন, “রাতেও প্রিয়া বলেছিল, ‘আমি ভালো আছি’। তারপর সকালে কষ্টের কথা লিখে স্টেটাস দেয়। বুঝতে পারিনি তখন সব শেষ হয়ে গিয়েছে।”

ঘটনার কথা জানিয়ে গলসি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৃতার বাবা নির্মল বাউরি। শুক্রবার ময়নাতদন্তের পর সন্ধ্যায় প্রিয়ার মৃতদেহ পোতনা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
ঘটনার পর প্রিয়ার স্বামী শুভ বাউরিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যদিও নাবালিকার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং পুলিশের তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ পরিষ্কার হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *