চরম জ্বালানি সংকট-বিদ্যুৎ বিভ্রাট! ৮২ লক্ষ লিটার ডিজেল দিয়ে বাংলাদেশের পাশে মোদী সরকার
ঢাকা: বাংলাদেশে চলছে চরম জ্বালানি সংকট। (diesel supply)সঙ্গে দোসর বিদ্যুৎ সংকট। এই আবহেই ডিজেল সরবরাহ করে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াল ভারত। প্রায় ৮২ লক্ষ লিটার ডিজেল…
ঢাকা: বাংলাদেশে চলছে চরম জ্বালানি সংকট। (diesel supply)সঙ্গে দোসর বিদ্যুৎ সংকট। এই আবহেই ডিজেল সরবরাহ করে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াল ভারত। প্রায় ৮২ লক্ষ লিটার ডিজেল ইতিমধ্যে বাংলাদেশে পৌঁছেছে। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে এই জ্বালানি পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। মহেশখালী এলাকার এলএনজি টার্মিনালে বিঘ্ন ঘটায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। ফলে দেশজুড়ে লোডশেডিং বেড়েছে। অনেক এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শপিং মলগুলোকে রাত আটটার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও দেখুনঃ BRICS সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী মাসেই ভারতে ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান
এই পরিস্থিতিতে ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। (diesel supply)ভারত থেকে আসা এই ডিজেল সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে বলে আশা করছে কূটনীতিক মহল। অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি পাঠানো হয়। এটি দ্রুত ও সাশ্রয়ী উপায়। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন জানিয়েছে, নিয়মিত সরবরাহ অব্যাহত রাখার চেষ্টা চলছে। এর আগেও কয়েক দফায় ভারত থেকে ডিজেল এসেছে।
চলতি বছরেই কয়েক হাজার টন জ্বালানি পাওয়া গেছে। (diesel supply)দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা নতুন নয়। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন ২০২৩ সালে উদ্বোধন করা হয়। এর মাধ্যমে নিয়মিত ডিজেল সরবরাহের চুক্তি রয়েছে। সংকটকালে এই ব্যবস্থা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের জ্বালানি মন্ত্রণালয় ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে অতিরিক্ত সরবরাহ চেয়েছে। ভারত সেই অনুরোধে সাড়া দিয়েছে।এই সহায়তাকে দুই দেশের বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরও দেখুনঃ ‘শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়ব’! অপারেশন সিঁদুর নিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দোভালের
প্রতিবেশী দেশ হিসেবে সংকটের সময় একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর উদাহরণ এটি। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে চাপ কমাতে এই সরবরাহ ভূমিকা রাখবে। শিল্পকারখানা ও পরিবহন খাতে ডিজেলের চাহিদা মেটাতেও এটি সাহায্য করবে।তবে রাজনৈতিক মহলে বিভিন্ন মত রয়েছে।
কিছু গোষ্ঠী ভারতবিরোধী স্লোগান দিয়ে থাকে। ‘দিল্লি না ঢাকা’ জাতীয় কথাবার্তা মাঝে মাঝে শোনা যায়। সংকটের সময় প্রতিবেশীর সহায়তা পাওয়ার পরও এ ধরনের মনোভাব প্রকাশ পেলে তা সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক নয় বলে অনেকে মনে করেন। বাস্তবতা হলো, জ্বালানি সংকটে প্রতিবেশীর সহযোগিতা অপরিহার্য।
আরও দেখুনঃ ফের রাজধানীতে হিন্দু হত্যা! সাধারণ বচসা থেকে ছুরি-গুলি, কাঠগড়ায় অমন মোল্লা
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জনজীবন জ্বালানি সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল। (diesel supply)গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হলে শিল্প, কৃষি ও দৈনন্দিন জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের কাছ থেকে দ্রুত জ্বালানি পাওয়া স্বস্তির বিষয়। পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চলছে।