মমতাকে কাঁদা ছুড়েছে তৃণমূলের লোকই! সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ফাঁস করে দাবি অর্জুনের
কলকাতা: হালিশহরে পুলিশি হেফাজতে থাকা মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়ি (Mamata Banerjee)যেতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। তার গাড়িতে কাঁদা এবং পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ…
কলকাতা: হালিশহরে পুলিশি হেফাজতে থাকা মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়ি (Mamata Banerjee)যেতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। তার গাড়িতে কাঁদা এবং পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ওঠে বিজেপির দিকে। তবে রাজ্যের পরিবহন এবং শ্রম মন্ত্রী তার এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে ফাঁস করেছেন এই ঘটনার মূল চক্রীর নাম। সোমবার সকালে রাজ্যের পরিবহন ও শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্ট চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।
তিনি লিখেছেন, হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)গাড়িতে কাদা ছুঁড়েছে যে ব্যক্তি, তার পরিচয় ছবি দেখেই বোঝা যায়। সেই ব্যক্তি কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কমল অধিকারীর সঙ্গে ঘোরাফেরা করতেন। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসেরই কর্মী। অর্জুন সিং প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল কি নিজেদের লোক দিয়ে কাদা ছুঁড়িয়ে বিজেপিকে অপমান করার চেষ্টা করেছে, নাকি দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল এটি?
আরও দেখুনঃ ‘ডিম জুতো কাঁদা খেতে দিন!’ মমতার গাড়িতে কাদা কাণ্ডে প্রশাসনকে পদক্ষেপ না নেওয়ার আর্জি তথাগতের
এই অভিযোগ নতুন করে রাজনৈতিক তরজা বাড়িয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনার পর পুলিশ ও রাজ্য সরকারকে তীব্র সমালোচনা করে বলেছিলেন, লুম্পেনদের সুরক্ষা দিচ্ছে প্রশাসন। বাংলা লুম্পেনদের হাতে চলে গেছে। তিনি মামলা করার কথাও বলেছেন। তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, এটি পরিকল্পিত হামলা এবং প্রাণনাশের চেষ্টা।
অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, পুলিশ নিরাপত্তা দিয়েছে এবং কোনো বিজেপি পতাকা বা পরিচিত নেতা সেখানে ছিলেন না। এটি জনগণের ক্ষোভের প্রকাশ।অর্জুন সিংয়ের তার পোস্টে ছবি দিয়ে বলেছেন কাদা ছোঁড়া ব্যক্তি কমল অধিকারীর সঙ্গে যুক্ত।
আরও দেখুনঃ নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়ি যাওয়ার পথে মমতাকে পাথর বৃষ্টি! ছড়াল চাঞ্চল্য
কমল অধিকারী একসময় কাঁচরাপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন এবং (Mamata Banerjee)তৃণমূলের স্থানীয় নেতা হিসেবে পরিচিত। অর্জুন সিংয়ের এই পোস্টে ফের সরব রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাদের মতে এই দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে ঘটনা আরও জটিল হয়ে যায়। তৃণমূলের ভেতরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে বিজেপির নামে দোষ চাপানোর চেষ্টা এই প্রশ্নই করেছেন তারা।