মেটার গ্লোবাল টিমকে তলব কেন্দ্রের
নয়াদিল্লি: গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ফেসবুক পোস্ট সাময়িকভাবে মুছে ফেলা নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই আগামী ৫ এবং ৬ অগাস্ট…
নয়াদিল্লি: গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ফেসবুক পোস্ট সাময়িকভাবে মুছে ফেলা নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই আগামী ৫ এবং ৬ অগাস্ট মেটা (Meta)-র গ্লোবাল টিমকে ভারতে তলব করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। মঙ্গলবার এই খবর নিশ্চিত করেছেন তথ্যপ্রযুক্তি সচিব এস কৃষ্ণন।
তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের সচিব এস কৃষ্ণন জানিয়েছেন, আগামী ৫ ও ৬ অগাস্ট মেটার শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে সরকারি প্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হবে। ভারতের আইন ও তা মেনে চলা, কৃত্রিমভাবে তৈরি তথ্য (ডিপফেক) এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কন্টেন্ট সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সুরক্ষামূলক পদক্ষেপের মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলি নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা করা হবে।
সংসদীয় প্যানেলের কড়া প্রশ্নের মুখে মেটা
সোমবার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও মেটার আধিকারিকদের কড়া জেরার মুখে পড়তে হয়। সূত্রের খবর, মেটার পক্ষ থেকে এই ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়ার কথা বলা হলেও, কমিটির সদস্যরা কড়া আইনি পদক্ষেপ এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
বৈঠকে উঠে আসা মূল বিষয়গুলি হল-
সদস্যদের অভিযোগ, মেটা ভারত থেকে বিপুল রাজস্ব আয় করলেও এ দেশের নিয়মকানুন সঠিকভাবে মেনে চলে না। প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফির মতো আপত্তিকর কন্টেন্ট অবাধে পাওয়া গেলেও ‘আসল’ বা সঠিক কন্টেন্ট মুছে ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন সাংসদরা।
দায়ী কে? এক সাংসদ প্রশ্ন তোলেন, “ফেসবুক যখন অন্যান্য আপত্তিকর কন্টেন্ট সরায় না, তখন খোদ প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়ো কে সরাল? এর চূড়ান্ত দায় কার?”
‘শুধু ক্ষমা চাইলে হবে না, চাই আইনি ব্যবস্থা’
সম্প্রতি দেশের যুবসমাজের উদ্দেশে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর একটি ভাষণ (যেখানে পরীক্ষার পেপার ফাঁস নিয়ে কড়া ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছিল) ফেসবুক থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়। মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট মেটা এটিকে ‘প্রযুক্তিগত ত্রুটি’ বা ‘ভুলবশত’ হয়েছে বলে দাবি করে এবং পরে তা ফিরিয়ে দেয়। তবে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY) মেটার এই ব্যাখ্যাকে ‘অযৌক্তিক’ বা অপর্যাপ্ত বলে মনে করছে।
সোমবারের বৈঠকে এক প্যানেল সদস্য বলেন, “গণতন্ত্রে যদি খোদ প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়ো সুরক্ষিত না থাকে, তবে এর দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।” পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রীর ডিপফেক রুখতে তাদের অ্যালগরিদম কতটা সক্ষম, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। মেটা আধিকারিকরা ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করে ক্ষমা চাইতে প্রস্তুত থাকলেও, এক বিজেপি সাংসদ স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,